Deoria School Viral Video: দেওরিয়ার স্কুলে শিক্ষকের কুরুচিকর আচরণ; ১৯ মিনিটের ভিডিও ভাইরাল হতেই তদন্তের নির্দেশ প্রশাসনের.
উত্তরপ্রদেশের দেওরিয়া জেলায় একটি সরকারি স্কুলের শ্রেণীকক্ষে ছাত্রীর সঙ্গে এক শিক্ষকের আপত্তিকর আচরণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে. ১৯ মিনিটের ওই ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর জেলা প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে এবং অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে.
উত্তরপ্রদেশের দেওরিয়া জেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক একটি ঘটনা সামনে এসেছে. অভিযোগ উঠেছে, স্কুলের এক শিক্ষক শ্রেণীকক্ষের ভেতরেই এক ছাত্রীর সঙ্গে অশালীন ও কুরুচিকর আচরণে লিপ্ত ছিলেন. এই ঘটনার একটি ১৯ মিনিটের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার পর সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে. ভিডিওটি প্রশাসনের নজরে আসতেই সংশ্লিষ্ট বিভাগ নড়েচড়ে বসেছে.
জেলা প্রশাসনের কড়া অবস্থান ও তদন্ত
ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পরপরই দেওরিয়ার জেলা প্রশাসন এবং শিক্ষা বিভাগ ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে সক্রিয় হয়েছে. জেলা মৌলিক শিক্ষা আধিকারিক (BSA) জানিয়েছেন যে, ভিডিওতে দৃশ্যমান ওই শিক্ষককে চিহ্নিত করার কাজ প্রায় শেষ. প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে. ভিডিওটি স্কুলের ভেতরের কি না এবং ঠিক কবেকার ঘটনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে.
ভিডিওতে কী দেখা গেছে?
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯ মিনিটের দীর্ঘ ওই ভিডিও ক্লিপটিতে দেখা গেছে অভিযুক্ত শিক্ষক শ্রেণীকক্ষের একটি কোণায় বসে ওই ছাত্রীর সঙ্গে অত্যন্ত আপত্তিজনক আচরণ করছেন. শ্রেণীকক্ষে অন্য ছাত্রছাত্রীদের অনুপস্থিতি বা অসতর্ক মুহূর্তের সুযোগ নিয়ে এই কাজ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে. তবে ভিডিওটি কে ধারণ করেছে এবং কীভাবে এটি জনসমক্ষে এলো, সে বিষয়েও পুলিশ ও সাইবার সেল তদন্ত শুরু করেছে.
অভিভাবক ও সচেতন মহলে আতঙ্ক
এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় অভিভাবক মহলে ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে. সরকারি বিদ্যালয়ে ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন অনেকে. অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন অভিভাবকরা. প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তদন্ত রিপোর্ট জমা পড়ার পর অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং তাকে বরখাস্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে.
নিরাপত্তা ও আইনি প্রেক্ষাপট
উল্লেখ্য যে, উত্তরপ্রদেশে সরকারি বিদ্যালয়গুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো এবং শিক্ষকদের আচরণের ওপর কড়া নজরদারির নির্দেশিকা থাকলেও এই ধরণের ঘটনা প্রশাসনের নজরদারির অভাবকেই ইঙ্গিত করছে. পকসো (POCSO) আইনের অধীনে এই ঘটনার মামলা দায়ের হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, কারণ বিষয়টি একজন নাবালিকা ছাত্রীর সঙ্গে যুক্ত.
(Social media brings you the latest breaking news, viral news from the world of social media including Twitter, Instagram and YouTube. The above post is embedded directly from the user's social media account. This body of content has not been edited or may not be edited by Latestly staff. Opinions appearing on social media posts and the facts do not reflect the opinions of Latestly, and Latestly assumes no responsibility for the same.)