দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের যা প্রবণতা তাতে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) একটি শক্তিশালী প্রত্যাবর্তন করছে বলে মনে হচ্ছে। বিজেপি এইমুহুর্তে ৪১টি আসনে এগিয়ে আছে, আর আম আদমি পার্টি ২৯টি আসনে এগিয়ে আছে। নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক ট্রেন্ডিং এর পর, বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে প্রবল উৎসাহ দেখা যাচ্ছে, এবং দিল্লিতে বিজেপি সরকার গঠনের সম্ভাবনার মধ্যে পার্টি অফিসের বাইরে উদযাপনের পরিবেশ তৈরি হয়েছে, ঢোল ও ঢোল নিয়ে বিজেপি অফিসের বাইরে জড়ো হতে শুরু করেছে।
বিজেপি - ৪১টি আসনে এগিয়ে
আপ - ২৬টি আসনে এগিয়ে
কংগ্রেস - 1 আসনে এগিয়ে
গণ্নার প্রাথমিক প্রবণতাগুলিতে বিজেপি বিশাল লিড নিয়ে এগোচ্ছে অন্যদিকে আম আদমি পার্টি পিছিয়ে রয়েছে বলে মনে হচ্ছে৷ কংগ্রেসের অবস্থা খুবই খারাপ।
অরবিন্দ কেজরিওয়াল – নয়াদিল্লি আসন থেকে পিছিয়ে, বিজেপির প্রবেশ ভার্মা এগিয়ে রয়েছেন। মনীশ সিসোদিয়া – জংপুরা আসন থেকে পিছিয়ে, প্রাথমিক ভোট গণনায় পিছিয়ে। অতীশি- কালকাজি আসনে পিছিয়ে রয়েছেন অতিশী, এগিয়ে রয়েছে বিজেপি প্রার্থী কৈলাশ গেহলট (বিজেপি)
গত কয়েক বছরে, বিশেষ করে ২০১৫ সালের পরে, আম আদমি পার্টি একের পর এক নির্বাচনে জয়লাভ করে আসছে। তারা কী এবারও সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে পারবে, নাকি বিজেপি তাদের দীর্ঘদিনের বিরোধিতার পর আরও একটি বড় বিজয়ের পথে হাঁটবে? এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছিল জনতার মনে। ভোটগণনা চলছে, আর তার সঙ্গে প্রতিটি মুহূর্তেই জল্পনা এবং উত্তেজনা বেড়ে চলেছে। দিল্লির দরবারের দখল কবে যাবে? কে হতে চলেছেন আগামী মুখ্যমন্ত্রী? বেলা যত বেড়েছে তত পরিষ্কার হয়েছে রাজধানীর আকাশ।শেষমেশ দিল্লির গদি পাল্টে গেল, ৩১৮২ ভোটে পরাজিত হল অরবিন্দ কেজরিওয়াল, মনীশ সিসোদিয়ারা।
২০১৫ সালের দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে আপ পেয়েছিল ৬৭টি আসন। বিজেপি পেয়েছিল মোট ৩টি আসন। কিন্তু খোলেনি কংগ্রেসের খাতা। একই কাণ্ড ঘটেছিল ২০২০ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও। সে বছর আপ পেয়েছিল মোট ৬২টি আসন। বিজেপির খানিকটা উন্নতি হয়েছিল বটে। সেবার পদ্ম শিবিরের পকেটে এসেছিল মোট ৮টি আসন। অন্যদিকে, ফের খালি ‘হাতেই’ বাড়ি ফিরেছিল কংগ্রেস।
নতুন বছরের অঙ্কটা কেমন গেল? দুপুর দু’টো পর্যন্ত গণনা অনুযায়ী, আপ পেয়েছে ২২টি আসন। বিজেপি পেয়েছে ৪৮টি আসন ও কংগ্রেস হ্যাটট্রিক করেছে শূন্য আসনে।