Bangladeshi Criminal Hid as Monk: ৩০ বছর ধরে নদীয়ায় সন্ন্যাসী পরিচয়ে লুকিয়ে বাংলাদেশি অপরাধী, তৃণমূলকে দোষারোপ বিজেপির
বিজেপির দাবি, তৃণমূল সরকারের আমলে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে এ ধরনের অপরাধীরা দীর্ঘদিন ধরে ভারতে লুকিয়ে থাকতে পারছে।
নয়াদিল্লি: নদীয়া জেলার তেহট্ট থানা এলাকা থেকে স্পেশাল টাস্ক ফোর্স এক বাংলাদেশি (Bangladeshi) দাগি অপরাধীকে গ্রেপ্তার করেছে। তিনি প্রায় ৩০ বছর ধরে সন্ন্যাসীর (Monk) পরিচয়ে পশ্চিমবঙ্গে লুকিয়ে ছিলেন। এসটিএফ-এর বিবৃতি অনুযায়ী, হাশেম আলি বাংলাদেশের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকাভুক্ত অপরাধী। তাকে গ্রেপ্তারের পর তেহট্ট মহকুমা আদালতে হাজির করা হয়। তবে, বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এই ঘটনার জন্য তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করে অভিযোগ করেছে। বিজেপির দাবি, তৃণমূল সরকারের আমলে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে এ ধরনের অপরাধীরা দীর্ঘদিন ধরে ভারতে লুকিয়ে থাকতে পারছে। তারা এই ঘটনাকে পশ্চিমবঙ্গে আইনশৃঙ্খলার অবনতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতির প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরেছে। আরও পড়ুন: Minor Raped In Sundarban: নাবালিকাকে ধর্ষণ, অভিযুক্তকে ২১ বছরের কারাদণ্ড দিল আদালত
অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তারা দাবি করেছে যে, এসটিএফ-এর এই গ্রেপ্তারের ঘটনা রাজ্য সরকারের সতর্কতা ও কার্যকর পদক্ষেপের ফল। তৃণমূলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিজেপি এই ঘটনাকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করে রাজ্য সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে।