Bageshwar Baba Controversy: বাংলায় এসে বাঙালিকে অপমান! 'ভণ্ড' মন্তব্যে বাগেশ্বরের বিরুদ্ধে ভবানীপুর থানায় অভিযোগ কংগ্রেসের
দুর্গাপূজায় আমিষ ও নিরামিষ ভক্ষণ নিয়ে মধ্যপ্রদেশের চর্চিত সাধু বাগেশ্বর বাবা ওরফে ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রীর মন্তব্যে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। বাংলায় এসে বাঙালি সংস্কৃতিকে অপমানের অভিযোগে এবার বাগেশ্বর বাবার বিরুদ্ধে ভবানীপুর থানায় এফআইআর (FIR) দায়ের করল প্রদেশ কংগ্রেস।
Bageshwar Baba Controversy: দুর্গাপূজায় আমিষ ও নিরামিষ ভক্ষণ নিয়ে মধ্যপ্রদেশের চর্চিত সাধু বাগেশ্বর বাবা ওরফে ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রীর মন্তব্যে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। বাংলায় এসে বাঙালি সংস্কৃতিকে অপমানের অভিযোগে এবার বাগেশ্বর বাবার বিরুদ্ধে ভবানীপুর থানায় এফআইআর (FIR) দায়ের করল প্রদেশ কংগ্রেস।
মঙ্গলবার দুপুরে দক্ষিণ কলকাতা ও মধ্য কলকাতা জেলা কংগ্রেসের নেতৃত্বে ভবানীপুর থানার সামনে জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ দেখান দলের কর্মী-সমর্থকরা। অভিযোগ জমা দেন মধ্য কলকাতা জেলা কংগ্রেস সভাপতি মানস সরকার এবং দক্ষিণ কলকাতা জেলা কংগ্রেস সভাপতি প্রদীপ প্রসাদ।
দেখুন কংগ্রেসের FIR
বিতর্কের সূত্রপাত কোথায়?
সম্প্রতি হাওড়ার লিলুয়ায় এক ‘হনুমান কথা’ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে দুর্গাপূজায় বাঙালির খাদ্যাভ্যাস নিয়ে তীব্র মন্তব্য করেন ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী। তাঁর দাবি ছিল, পূজোর সময় যাঁরা মাছ-মাংস খান, তাঁরা ধার্মিক নন, বরং ‘পাখণ্ডী’ বা ভণ্ড। এমনকি বাঙালি পূজোর সময় 'আজেবাজে খাবার' খায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বাঙালি কীভাবে উৎসব উদযাপন করবে, তা নিয়ে তাঁর এই মন্তব্য প্রকাশের পরপরই রাজ্যজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
কংগ্রেসের অভিযোগের বিষয়বস্তু:
বাঙালি সংস্কৃতির অপমান মানস সরকারের দায়ের করা অভিযোগে বলা হয়েছে, বাগেশ্বর বাবা বাংলায় এসে বাঙালিদের শেখাতে চাইছেন কীভাবে দুর্গাপূজা করতে হবে। এটি বাঙালি ও বাংলার সংস্কারের জন্য চরম অবমাননাকর। 'ভণ্ড' আখ্যা:অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, যিনি আমিষভোজী বাঙালিদের ‘ভণ্ড’ বলছেন, তিনি নিজেই একজন ভণ্ড সাধু। এফআইআরে তাঁর ব্যবহৃত ‘পাখণ্ডী’ ও আপত্তিকর শব্দপ্রয়োগের কথা বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
বিজেপির অবস্থান:
বাগেশ্বর বাবার এই মন্তব্যের পর দূরত্ব বজায় রেখেছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। দিলীপ ঘোষ ও শমীক ভট্টাচার্যের মতো নেতারা স্পষ্ট জানিয়েছেন, বাঙালি যেভাবে বছরের পর বছর ধরে দুর্গাপূজা পালন করে আসছে, সেভাবেই করবে। পূজোর সময় মাছ-মাংস বা নিরামিষ—যাঁর যা ইচ্ছা তিনি খাবেন, এতে বিতর্কের কোনো স্থান নেই। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজের কেন্দ্র ভবানীপুর থানায় কংগ্রেসের এই অভিযোগ দায়েরের ঘটনায় এই আইনি ও রাজনৈতিক বিতর্কের গুরুত্ব আরও বাড়ল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।