LPG e-KYC Update 2026: কালোবাজারি রুখতে গ্রাহকদের জন্য যাচাইকরণ বাধ্যতামূলক করল সরকার
কেন্দ্র সরকার ঘরোয়া এলপিজি গ্রাহকদের জন্য আধার-ভিত্তিক ই-কেওয়াইসি (e-KYC) যাচাইকরণ বাধ্যতামূলক করেছে। ভর্তুকি সুনিশ্চিত করতে এবং গ্যাসের কালোবাজারি রুখতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গ্রাহকরা কীভাবে ঘরে বসে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন, তার বিস্তারিত তথ্য এখানে দেওয়া হলো।
নয়াদিল্লি: ভারত সরকার সমস্ত ঘরোয়া এলপিজি (LPG) গ্রাহকদের জন্য আধার-ভিত্তিক বায়োমেট্রিক ই-কেওয়াইসি (e-KYC) যাচাইকরণ বাধ্যতামূলক করার ঘোষণা করেছে। মূলত রান্নার গ্যাসের কালোবাজারি রোধ করতে এবং প্রকৃত গ্রাহকদের কাছে সরকারি ভর্তুকি পৌঁছে দিতেই এই কঠোর পদক্ষেপ। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার (PMUY) অন্তর্ভুক্ত পরিবারগুলোর জন্য এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা অত্যন্ত জরুরি। পশ্চিম এশিয়ার চলমান সংকটের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেওয়ায় এই ব্যবস্থা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, অনেক ক্ষেত্রে ভুয়া সংযোগ ব্যবহার করে সরকারি ভর্তুকির অপব্যবহার করা হচ্ছে। ই-কেওয়াইসি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই 'ঘোস্ট বেনিফিশিয়ারি' বা ভুয়া উপভোক্তাদের চিহ্নিত করা সম্ভব হবে। এছাড়া, পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনার ফলে ভারত বর্তমানে জ্বালানি সরবরাহে কিছু সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। রান্নার গ্যাসের ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করতে এবং মজুতদারি রুখতে এই ডিজিটাল যাচাইকরণ বড় ভূমিকা পালন করবে।
ঘরে বসেই সম্পন্ন করুন যাচাইকরণ
গ্রাহকদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে সরকার ই-কেওয়াইসি প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সহজ করেছে। এখন আর গ্যাস এজেন্সির সামনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানোর প্রয়োজন নেই। গ্রাহকরা ঘরে বসেই নিম্নলিখিত উপায়ে এই কাজ শেষ করতে পারেন:
মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে: ইনডেন (Indane), ভারত গ্যাস (Bharat Gas) বা এইচপি গ্যাস (HP Gas)-এর নিজস্ব অফিশিয়াল অ্যাপ ডাউনলোড করে লগ-ইন করতে হবে।
আধার ফেস-রিডিং: 'Aadhaar FaceRD' অ্যাপের সাহায্যে ফেস স্ক্যান করে সহজেই বায়োমেট্রিক অথেন্টিকেশন সম্পন্ন করা যায়।
ডেলিভারি স্টাফের সাহায্য: সিলিন্ডার সরবরাহ করার সময় ডেলিভারি কর্মীরাও আপনার পরিচয় যাচাই করে ই-কেওয়াইসি আপডেট করে দিতে পারেন।
বর্তমান নিয়ম ও সময়সীমা
পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক জানিয়েছে যে, বর্তমানে ই-কেওয়াইসি করার জন্য কোনো নির্দিষ্ট চূড়ান্ত সময়সীমা বা 'ডেডলাইন' দেওয়া হয়নি। গ্রাহকরা তাদের সুবিধামতো এটি সম্পন্ন করতে পারেন। তবে ভর্তুকি অব্যাহত রাখতে এবং নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে দ্রুত এই কাজ সেরে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। গ্রামীণ এলাকায় গ্যাসের অপব্যবহার রুখতে বুকিংয়ের সময়সীমা ২৫ দিন থেকে বাড়িয়ে ৪৫ দিন পর্যন্ত করা হয়েছে।
(Social media brings you the latest breaking news, viral news from the world of social media including Twitter, Instagram and YouTube. The above post is embedded directly from the user's social media account. This body of content has not been edited or may not be edited by Latestly staff. Opinions appearing on social media posts and the facts do not reflect the opinions of Latestly, and Latestly assumes no responsibility for the same.)