Leopard Attack: মধ্যপ্রদেশে চিতাবাঘের আক্রমণের ২১ দিন পর ৯ বছরের শিশুর মৃত্যু, জলাতঙ্কের আশঙ্কা চিকিৎসকদের
মধ্যপ্রদেশে চিতাবাঘের আক্রমণের ২১ দিন পর ৯ বছরের শিশুর মৃত্যু, জলাতঙ্কের আশঙ্কা চিকিৎসকদেরজাতীয় ডেস্ক: চিতাবাঘের কামড়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ২১ দিন পর মৃত্যু হলো ৯ বছরের এক শিশুর।
Leopard Attack: মধ্যপ্রদেশে চিতাবাঘের আক্রমণের ২১ দিন পর ৯ বছরের শিশুর মৃত্যু, জলাতঙ্কের আশঙ্কা চিকিৎসকদেরজাতীয় ডেস্ক: চিতাবাঘের কামড়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ২১ দিন পর মৃত্যু হলো ৯ বছরের এক শিশুর। ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের বারওয়ানি জেলায়। তবে শিশুটির মৃত্যুর পেছনে প্রাথমিক আঘাতের চেয়েও 'রেবিস' বা জলাতঙ্কের প্রাদুর্ভাব প্রধান কারণ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য ও বন বিভাগের কর্তারা। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং স্বাস্থ্য বিভাগের চূড়ান্ত রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছে বন বিভাগ।
বন্যপ্রাণীটি ঝাঁপিয়ে পড়ে
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ জুলাই মধ্যপ্রদেশ-মহারাষ্ট্র সীমান্তের সেনধওয়া মহকুমার অন্তর্গত বিজাসন এলাকার মোহরাত মাল গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। ছাগল চরাতে বনে গিয়েছিল কুণাল (৯) এবং অরুণ (১০) নামের দুই শিশু। বনের ভেতরের একটি জায়গায় একটি চিতাবাঘ বিশ্রাম নিচ্ছিল। অসাবধানতাবশত দুই শিশু তার কাছে পৌঁছে গেলে বন্যপ্রাণীটি তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। আক্রমণে কুণালের মুখে ও মাথায় গভীর কামড়ের ক্ষত তৈরি হয় এবং অরুণ শরীরের অন্যান্য অংশে আঘাত পায়। উভয় শিশুকে প্রথমে সেনধওয়ার সিভিল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ইন্দোরের 'এমওয়াই' হাসপাতালে রেফার করা হয়। বেশ কয়েকদিন চিকিৎসার পর শারীরিক পরিস্থিতির উন্নতি হলে ২২ জুলাই চিকিৎসকরা তাদের হাসপাতাল থেকে ছুটি দেন। তবে হাসপাতাল থেকে ফেরার কয়েকদিনের মধ্যেই আকস্মিকভাবে মৃত্যু হয় ৯ বছরের কুণালের।
প্রশাসনের তৎপরতা ও রেবিস প্রটোকল
২১ দিন পর শিশুটির এমন আচমকা মৃত্যুতে চিকিৎসকরা সন্দেহ করছেন যে, চিতাবাঘের কামড় বা লালা থেকে তার শরীরে জলাতঙ্কের জীবাণু ছড়িয়ে পড়েছিল। কনজারভেটর অফ ফরেস্ট বসু কনোজিয়া জানিয়েছেন, "স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে এখনও মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত করে জানানো হয়নি। তবে রেবিস ধরা পড়লে নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি ও প্রশাসনিক প্রটোকল অনুসরণ করা হবে। আক্রান্ত এলাকা স্যানিটাইজ করা হবে এবং চিতাবাঘটিকে চিহ্নিত করে উদ্ধারের বন্দোবস্ত করা হবে।" জলাতঙ্ক ছড়ানোর আশঙ্কায় বর্তমানে পুরো এলাকায় বন দপ্তরের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি বাচ্চাদের বনে না পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।