Khan Sir Controversy: ফয়জল খান 'খান স্যার'-এর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থা ও হুমকির বিস্ফোরক অভিযোগ তরুণীর
পটনার বিখ্যাত শিক্ষক তথা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের পরিচিত মুখ 'খান স্যার' (ফয়জল খান)-এর বিরুদ্ধে উঠল মারাত্মক অভিযোগ। এক তরুণী পটনার পীরবহোর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে খান স্যারের বিরুদ্ধে নিয়মিত হেনস্থা ও নজরদারির অভিযোগ এনেছেন।
Khan Sir Controversy: পটনার বিখ্যাত শিক্ষক তথা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের পরিচিত মুখ 'খান স্যার' (ফয়জল খান)-এর বিরুদ্ধে উঠল মারাত্মক অভিযোগ। এক তরুণী পটনার পীরবহোর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে খান স্যারের বিরুদ্ধে নিয়মিত হেনস্থা ও নজরদারির অভিযোগ এনেছেন। এর পাশাপাশি তিনি নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার জন্য পুলিশের কাছে বিশেষ সুরক্ষা দাবি করেছেন। তবে এই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর পুলিশ স্পষ্ট জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হলেও সমস্ত অভিযোগের সত্যতা আনুষ্ঠানিকভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
পুরনো বিতর্ক ও সম্পর্কের টানাপোড়েন
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই তরুণীর দেওয়া বয়ান অনুযায়ী ঘটনার সূত্রপাত ২০১৭ সালে। তরুণীর দাবি, তাঁর তৎকালীন রুমমেট সবিনা খাতুনের সঙ্গে ফৈজল খানের একটি সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। অভিযোগকারী তরুণী জানান, ২০১৭ সালে তাঁর অনিচ্ছা সত্ত্বেও খান স্যার ঘন ঘন তাঁদের ঘরে আসতেন। প্রায় ছয় মাস ধরে এই পরিস্থিতি চলায় তাঁদের মধ্যে একাধিকবার কথা কাটাকাটি হয় এবং বিষয়টি পুলিশ পর্যন্ত পৌঁছায়। পরবর্তীতে ওই তরুণীর পরিবারের এক পুলিশ কর্মকর্তা মধ্যস্থতা করে খান স্যারকে সতর্ক করলে তিনি ক্ষমা চান এবং কিছুদিনের জন্য যোগাযোগ বন্ধ রাখেন।
দেখুন ভিডিও
হুমকি ও নজরদারির অভিযোগ
অভিযোগকারী তরুণীর দাবি, পুরনো ঘটনা মেটে গেলেও খান স্যার এখনও তাঁর ওপর নজরদারি চালাচ্ছেন এবং তাঁর বর্তমান বাসস্থান ও দৈনন্দিন গতিবিধি সম্পর্কে খোঁজখবর নিচ্ছেন। শুধু তা-ই নয়, তাঁর আত্মীয়দের ফোনে সুলতানগঞ্জ থানার পুলিশ কর্মী পরিচয়ে ফোন করে ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। তরুণীর আরও দাবি, খান স্যারের কিছু গোপন ও অপরাধমূলক কার্যকলাপের কথা তিনি জানেন বলেই তাঁকে ধারাবাহিকভাবে টার্গেট করা হচ্ছে। যদিও এই সমস্ত দাবি সম্পূর্ণ অভিযোগকারীর নিজস্ব এবং পুলিশের পক্ষ থেকে এর কোনো প্রমাণ মেলেনি।
তদন্তে পীরবহোর থানার পুলিশ
পীরবহোর থানা সূত্রে জানা গিয়েছে, তরুণীর লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে তাঁকে বিশেষ হেল্পলাইন নম্বর দেওয়া হয়েছে এবং কোনো আপদকালীন পরিস্থিতিতে অবিলম্বে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। থানার এক জ্যেষ্ঠ আধিকারিক জানিয়েছেন, "অভিযোগটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত প্রক্রিয়া ও সঠিক তদন্তের পরেই মূল সত্য সামনে আসবে।"অন্যদিকে, এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে খান স্যার বা তাঁর প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।