Kerala Ragging Horror: বদ্ধ ঘরে আটকে থুতু ছিটিয়ে খেতে দেওয়া হল জল, Ragging এর বীভৎসতায় কেঁপে উঠল কলেজ
গত ১১ ফেব্রুয়ারি তিরুবনন্তপুরমের ওই কলেজে সিনিয়র এবং জুনিয়র ছাত্রদের মধ্যে বিবাদ বাধে। সেই বিবাদ পৌঁছে যায় হাতাহাতি, মারপিটে। সিনিয়রদের মারধরে আহত হলে, প্রথম বর্ষের ২ পড়ুয়া পুলিশের দ্বারস্থ হয়। প্রথম বর্ষের ওই ২ পড়ুয়াই দায়ের করে অভিযোগ।
দিল্লি, ১৯ ফেব্রুয়ারি: প্রথম বর্ষের পড়ুয়াকে (Student) মারধর করায়, ৭ জনকে কলেজ থেকে বরখাস্ত করা হল। কেরলের (Kerala) একটি কলেজে আবার নতুন কর র্যাগিংয়ের আতঙ্ক ছড়ায়। যেখানে প্রথম বর্ষের এক পড়ুয়াকে মারধরের অভিযোগে তিরুবনন্তপুরমের একটি সরকারি কলেজের ৭ পড়ুয়াকে বরখাস্ত করা হয়। যে খবর প্রকাশ্যে আসতেই তা নিয়ে ছড়ায় চাঞ্চল্য।
রিপোর্টে প্রকাশ, গত ১১ ফেব্রুয়ারি তিরুবনন্তপুরমের ওই কলেজে সিনিয়র এবং জুনিয়র ছাত্রদের মধ্যে বিবাদ বাধে। সেই বিবাদ পৌঁছে যায় হাতাহাতি, মারপিটে। সিনিয়রদের মারধরে আহত হলে, প্রথম বর্ষের ২ পড়ুয়া পুলিশের দ্বারস্থ হয়। প্রথম বর্ষের ওই ২ পড়ুয়াই দায়ের করে অভিযোগ। সিনিয়রদের বিরুদ্ধে অভিযোগের কথা কানে যেতেই এসএফআই ছাত্রদের মধ্যে বেশ কয়েকজন হস্টেলে হাজির হয় এবং কারা এই অভিযোগ করেছে বলে জিজ্ঞেস করে। অভিযোগকারীদের খোঁজ না পেয়ে, অন্য এক প্রথম বর্ষের পড়ুয়াকে তারা পাকড়াও করে। এক ঘণ্টা তাকে আটকে রাখা হয়। জল পিপাসা পেয়েছে বলে জানালে, তাকে জল তো দেওয়া হয়। তবে সেই জলে থুতু ছিটিয়ে। যা পানের অযোগ্য বলে জানালে, ওই পড়ুয়াকে আবার পেটানো হয় বলে খবর।
যে খবর পেতেই অ্যান্টি র্যাগিং সেলের তরফে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানানো হয়। সেই সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে সিসিটিভি ফুটেজ। ওই ঘটনার জেরে পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে।
সম্প্রতি কেরলের একটি নার্সিং কলেজ থেকে র্যাগিংয়ের ঘটনা সামনে আসে। যে কলেজে এক পড়ুয়ার যৌনাঙ্গে জোর করে ডাম্বেল বেধে দেওয়া হয়। এমনকী সূঁচ ফুটিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ ওঠে।