Indore Couple Missing: হানিমুনে গিয়েই সব শেষ, মেঘালয়ের পাহাড়ের খাঁজ থেকে উদ্ধার বরের পচাগলা দেহ, এখনও নিখোঁজ বউ
প্রাথমিকভাবে পুলিশ এটিকে ডাকাতির ঘটনা বলেই মনে করছে। তবে স্পষ্টভাবে কিছু জানা যায়নি। রাজা বাড়ির লোকের তরফে সিবিআই তদন্তের দাবি করা হয়েছে। রাজা এবং তাঁর স্ত্রীকে কে বা কারা অপহরণ করল বা ডাকাতির ঘটনা ঘটল নির্মমভাবে, সে বিষয়ে শুরু হয়েছে জোরদার তদন্ত।
দিল্লি, ৪ জুন: মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে সব শেষ হয়ে গেল। ইন্দোরের এক দম্পতি (Indore Couple Missing) রাজা এবং সোনম রঘুবংশী (Raja Raghuwanshi, Sonam Raghuwanshi) যখন ইন্দোর থেকে বিয়ের পর মেঘালয়ে (Meghalaya) যান মধুচন্দ্রিমায়, তখন সব শেষ। রাজা এবং সোনম মেঘলয়ে পাহাড় চড়া শুরু করেন। ট্রেকিংয়ের মাঝে হঠাৎ করে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায় বাড়ির লোকের। তারপর থেকে রাজা এবং সোনমের কোনও খোঁজ মিলছিল না। অবশেষে রাজার পচাগলা দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। দেহ উদ্ধারের পর রাজাকে সনাক্ত করা হয় তাঁর হাতের ট্যাটু এবং হিরের নেকলেস দেখে। রাজার দেহ উদ্ধার হলেও, সোনমের কোনও খোঁজ মেলেনি। সোনম রঘুবংশীর পরিস্থিতিও কি রাজার মতই হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ খোঁজ শুরু করেছে।
প্রাথমিকভাবে পুলিশ এটিকে ডাকাতির ঘটনা বলেই মনে করছে। তবে স্পষ্টভাবে কিছু জানা যায়নি। রাজা বাড়ির লোকের তরফে সিবিআই তদন্তের দাবি করা হয়েছে। রাজা এবং তাঁর স্ত্রীকে কে বা কারা অপহরণ করল বা ডাকাতির ঘটনা ঘটল নির্মমভাবে, সে বিষয়ে শুরু হয়েছে জোরদার তদন্ত।
গত ২৩ মে রাজা এবং সোনম রঘুবংশী মেঘালয়ে যান হানিমুনে। সেখান থেকে ফিরল রাজার নিথর দেহ...
জানা যায়, গত ২৩ মে সোনমের সঙ্গে তাঁর শাশুড়ির শেষবারের মত কথা হয়। ওইদিন সোনমের ব্রত ছিল। তবে ঘুরতে গিয়েছেন বলে সোনমের শাশুড়ি তাঁর পুত্রবধূকে কিছু খেয়ে নিতে বলেন। কিন্তু সোনম স্পষ্ট জানান, ঘোরার চক্করে কি ব্রত ভেঙে ফেলব।
ওই ফোনের রেকর্ডিং পুলিশের হাতে দেওয়া হয়েছে পরিবারের তরফে। যেখানে ট্রেক করতে করতে সোনমের শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। ফলে তিনি পরে আবার ফোন করবেন বলে জানান। কিন্তু সেই ফোন আর তাঁর করা হয়ে ওঠেনি।