Man Raped Daughter-In-Law Before Murder: পণের জন্য ছেলের বউকে মারধর, প্রবল আক্রোশে পুত্রবধূর শরীর খুবলে খেয়ে খুন শ্বশুরের, মৃতদেহ পুঁতে দিল ১০০ ফুটের গর্তে
পুলিশ সূত্রে খবর, গত ২১ এপ্রিল খাবারে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে ছেলের বউকে খাওয়ান শাশুড়ি। তারপর ছেলের বউকে মারার জন্য সেই ঘরে প্রবেশ করে শ্বশুর। ওই তরুণীকে মেরে ফেলাই ছিল তার প্রাথমিক কাজ। তবে খুনের আগে পুত্রবধূকে ধর্ষণ করে শ্বশুর। তারপর তাঁকে খুন করে।
দিল্লি, ২৭ জুন: হরিয়ানা (Haryana) থেকে এবার একটি ভয়াবহ ঘটনা উঠে এল। যেখানে পুত্রবধূকে (Daughter-In-Law) ধর্ষণ (Rape) করে, তাঁকে খুন করে গর্তে পুঁতে দিল শ্বশুর (Father-In-Law)। শুনে গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠলেও, হরিয়ানায় এবার এমনই একটি নৃশংস ঘটনা ঘটে যায়। যেখানে হরিয়ানার ফরিদাবাদের বাসিন্দা এক ব্যক্তি প্রথমে নিজের বছর ২৪-এর পুত্রবধূকে ধর্ষণ করে। এরপর তাঁকে খুন করে ১০০ ফুটের গর্ত খুঁড়ে সেখানে পুঁতে দেয়।
চলতি বছরের এপ্রিল মাস থেকে উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) এক তরুণীর (বিয়ে হয় হরিয়ানার ফরিদাবাদে) কোনও খোঁজ মিলছিল না। উত্তরপ্রদেশের ফিরোজ়াবাদের ওই তরুণী বিয়ের পর হরিয়ানার ফরিদাবাদে এসে বসবাস শুরু করেন শ্বশুরবাড়ির প্রত্যেকের সঙ্গে। হঠাৎ করেই চলতি বছরের এপ্রিল থেকে ওই তরুণীর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। তখন থেকে ওই তরুণীর বাড়ির লোকজন জোর কদমে খোঁজ শুরু করেন। কিন্তু মেয়েকে খুঁজে কোথাও পাননি।
আরও পড়ুন: Grand Child Marries Grand Mother: ঠাকুমাকে বিয়ে করলেন নাতি, সুলতানা, ইরফানের দাম্পত্য দেখে হইচই
ওই সময় ওই তরুণীর শ্বশুরবাড়ির লোকজন দাবি করেন, তাঁদের বাড়ির মেয়ে হারিয়ে গিয়েছেন। তবে ওই তরুণীর বাড়ির লোকজন হার মানেননি। পুলিশের সাহায্যে তাঁরা খুঁজেই চলছিলেন। অবশেষে গত ২১ জুন ওই তরুণীর খোঁজ মেলে ১০ ফুট গর্তের নীচ থেকে। জানা যায়, উত্তরপ্রদেশের তরুণীকে খুনের পর তাঁর দেহ ১০ ফুটের গর্তে ঢুকিয়ে, তারপর সিমেন্টের খণ্ড চাপা দিয়ে রাখা হয়। ওই সিমেন্টের চাঁইয়ের পর মাটি চাপা দিয়ে সবদিক বন্ধ করে দেওয়া হয়।
তবে ধর্ষণের কথা নিজের স্ত্রী এবং সন্তানের সামনে ওই ব্যক্তি প্রকাশ করেনি। পুলিশি জেরায় লাঠির বাড়ি খেয়ে ওই ব্যক্তি সব স্বীকার করে।
জানা যায়, পুত্রবদূকে খুনের পর নিজের ছেলে এবং বউকে ওপরের ঘরে ডাকে ওই বৃদ্ধ। তারপর ওইতরুণীর দেহ ভাল করে প্লাস্টিকে মুড়িয়ে ১০০ ফুট নীচের গর্তে রেখে আসা হয়। পুত্রবধূর মৃতদেহের উপর এরপর ইঁট বিছিয়ে দেয় খুনি শ্বশুর।
মৃত তরুণীর দিদির অভিযোগ, তাঁর বোনের উপর ক্রমাগত অত্যাচার চালাত শ্বশুরবাড়ির লোকজন। পণ বা যৌতুকের জন্য তাঁর বোনের উপর শারীরিক, মানসিক, সব অত্যাচারই চালাত শ্বশুরবাড়ির লোকজন। দীর্ঘদিন ধরে মারধর খেয়ে, অত্যাচার সহ্য করেও তাঁর বোন সংসার করছিলেন। অবশেষে তাঁকে ধর্ষণ করে খুন করা হল বলে আফশোষ করতে দেখা যায় মৃতের দিদিকে।
পুত্রবধূকে ধর্ষণ, খুনে অভিযুক্ত গোটা পরিবারের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে এফআইআর।
(Social media brings you the latest breaking news, viral news from the world of social media including Twitter, Instagram and YouTube. The above post is embedded directly from the user's social media account. This body of content has not been edited or may not be edited by Latestly staff. Opinions appearing on social media posts and the facts do not reflect the opinions of Latestly, and Latestly assumes no responsibility for the same.)