গুরুগ্রাম হিট অ্যান্ড রান: 'ঘটনাস্থলেই আমার মৃত্যু হতে পারত, সহানুভূতির নাটক কেন?'অভিযুক্তকে পাল্টা জবাব মহিলা বাইকারের

গুরুগ্রামের গলফ কোর্স রোডে ঘটে যাওয়া চাঞ্চল্যকর হিট অ্যান্ড রান মামলায় অভিযুক্ত কল্যাণ বৈনসলার দাবি উড়িয়ে এবার কড়া জবাব দিলেন আক্রান্ত মহিলা বাইকার ও ইনস্টাগ্রাম ক্রিয়েটর সিয়া (rebelwheels_sia_)।

Biker Sia Hits Back

Gurugram Hit-and-Run: গুরুগ্রামের গলফ কোর্স রোডে ঘটে যাওয়া চাঞ্চল্যকর হিট অ্যান্ড রান মামলায় অভিযুক্ত কল্যাণ বৈনসলার দাবি উড়িয়ে এবার কড়া জবাব দিলেন আক্রান্ত মহিলা বাইকার ও ইনস্টাগ্রাম ক্রিয়েটর সিয়া (rebelwheels_sia_)। অভিযুক্তের সহানুভূতি এবং নির্দোষতার দাবিকে ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে সিয়া স্পষ্ট জানিয়েছেন, ঘটনার তীব্রতায় 'ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হতে পারত'।

কী দাবি অভিযুক্তর

তিন মিনিটের একটি ভিডিও বার্তায় সিয়া সিসিটিভি এবং নিজের ক্যামেরার ফুটেজ তুলে ধরে অভিযুক্তের প্রতিটি বক্তব্যের প্রতিবাদ জানান। কল্যাণ বৈনসলা দাবি করেছিলেন, তিনি বাইকটি কে চালাচ্ছেন (পুরুষ না মহিলা) তা বুঝতে পারেননি এবং ইন্টারনেটে কেবল একটি কোণ থেকেই ফুটেজ দেখানো হচ্ছে।

দেখুন সেই ভাইরাল ভিডিও

ভিডিও ফুটেজ ও সহানুভূতির দাবি নিয়ে সিয়ার প্রশ্ন

ভিত্তিহীন সহানুভূতির দাবি: সিয়া জানান, সত্যি অনুশোচনা থাকলে দুর্ঘটনার পর গাড়ি না থামিয়ে পালিয়ে যাওয়ার কথা নয়।

ভিডিওর স্বপক্ষে যুক্তি: দুটি ভিন্ন কোণ থেকেই স্পষ্ট যে, অভিযুক্তের মারুতি সুজুকি সিয়াজ (HR30L4949) গাড়িটি লেন বদলে এসে তাঁর বাইকে ধাক্কা মারে এবং কিছুটা পথ টেনে নিয়ে যায়।

হেনস্তার অভিযোগ: সিয়া জানান, গাড়িটি কেবল দুর্ঘটনাবশত আঘাত করেনি, বরং বেশ কিছুক্ষণ ধরে তাঁদের বাইকের দলকে অনুসরণ ও উত্যক্ত করছিল। গাড়ি চালক খুব কাছে এসে তাঁকে থামার সংকেতও দিয়েছিল।

হত্যার চেষ্টা মামলা দায়ের

গত ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল প্রায় ৭টা নাগাদ বন্ধুদের সঙ্গে বাইকার বার্ন ক্যাফের দিকে যাওয়ার সময় এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তের গাড়িটি সিয়ার বাইকটিকে ধাক্কা দিয়ে প্রায় ৩০০ মিটার টেনে নিয়ে যায়। ভাগ্যক্রমে বড় কোনো প্রাণহানি না হলেও সিয়া মারাত্মক পেশির যন্ত্রণা ও আঘাতের শিকার হয়েছেন। গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬ পুলিশ স্টেশনে কল্যাণ বৈনসলার বিরুদ্ধে হেনস্তা, খুনের চেষ্টা (Attempted Murder) এবং হিট অ্যান্ড রানের ধারায় এফআইআর (FIR) রুজু করা হয়েছে। দিল্লির রাস্তায় নারী বাইকারদের নিরাপত্তা নিয়ে আবারও বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে এই ঘটনা।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement