Greater Noida Murder Case: 'মার গায়ে ওরা আগুন দিয়ে দেয়...' পণের দাবিতে শিশুর সামনে তরুণীকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ স্বামী ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে
ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত স্বামী বিপিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজ চলছে।
নয়াদিল্লিঃ পণের (Dowry) দাবিতে তরুণীকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠল স্বামী ও শ্বশুড়বাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে। শিশুপুত্রের সামনে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু গৃহবধূর। হাড়হিম করা ঘটনাটি ঘটেছে গ্রেটার নয়ডার (Greater Noida) সিরসা এলাকায়। মৃতার নাম নিকি। ৯ বছর আগে গ্রেটার নয়ডার সিরসার বাসিন্দা বিপিন ভাটির সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। বিয়ের পর থেকেই পণের দাবিতে নানা অত্যাচার চলত নিকির উপর। গত বৃহস্পতিবার সেই অত্যাচারের সীমা ছাড়ায়। তরুণীকে মারধর করে তাঁর গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে স্বামী বিপিন ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে।
পণের জন্য তরুণীকে পুড়িয়ে মারল স্বামী ও শাশুড়ি
মৃতার ছেলের অভিযোগ, "মাকে চুল ধরে মারতে মারতে নীচে নিয়ে আসে ঠাকুমা। এরপর বাবা আার ঠাকুমা মিলে লাইটার জ্বালিয়ে মায়ের গায়ে আগুন লাগিয়ে দেয়।" শুধু মৃতার ছেলেই নয়, এই নারকীয় ঘটনার সাক্ষী নিকির দিদিও। ওই একই পরিবারে বিয়ে হয়েছে তাঁর। নিকির দিদির অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই দুই বোনের উপর অত্যাচার চালানো হত শ্বশুরবাড়ির তরফে। বিয়েতে এসইউভি গাড়ি, সোনা, নগদ টাকা দেওয়া সত্ত্বেও সন্তুষ্ট ছিল না শ্বশুরবাড়ির লোকজন। ফের ৩৬ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়। তা দিতে না পারায় চলে অত্যাচার। বৃহস্পতিবার নিকির চিৎকারে ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। তাঁরাই অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় নিকিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে তাঁকে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত স্বামী বিপিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজ চলছে।
পণের দাবিতে শিশুর সামনে তরুণীকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ স্বামী ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে