Nikki Murder Case: পুলিশের বন্দুক নিয়ে পালানোর চেষ্টা, এনকাউন্টার অভিযানে আটক নিক্কির স্বামী, এখনও পলাতক বাকিরা

গ্রেটার নয়ডায় পণের দাবিতে পুত্রবধূ খুনের ঘটনায় নয়া মোড়। মূল অভিযুক্ত বিপিন ভাটি অর্থাৎ নিক্কির স্বামীকে আগেই গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে গ্রেফাতরির পরেও রবিবার পালানোর মরিয়া চেষ্টা করে সে।

গ্রেটার নয়ডায় পণের দাবিতে পুত্রবধূ খুনের ঘটনায় (Nikki Murder Case) নয়া মোড়। মূল অভিযুক্ত বিপিন ভাটি অর্থাৎ নিক্কির স্বামীকে আগেই গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে গ্রেফাতরির পরেও রবিবার পালানোর মরিয়া চেষ্টা করে সে। এমনকী পুলিশে বন্দুক নিয়ে ভয় দেখিয়ে পালিয়েও যাচ্ছিল। তারপরেই আত্মরক্ষার জন্য পাল্টা পুলিশ গুলি চালালে আহত হয় সে। বন্দুকের গুলি সোজা লাগে তাঁর পায়ে। এরপরেই পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আপতত তাঁর শারীরিক অবস্থা আগের থেকে অনেকটাই উন্নত হয়েছে। এই ঘটনার বাকি অভিযুক্তরা এখনও পলাতক রয়েছে, তাঁদের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান।

পালানোর চেষ্টা করে অভিযুক্ত

জানা যাচ্ছে, এদিন সকালে সিরসা গ্রামে বিপিনের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে নিক্কিকে হত্যার জন্য ব্যবহৃত সরঞ্জাম উদ্ধার করতে যায় পুলিশের একটি দল। সেই সময়ই এক আধিকারিকের বন্দুক নিযে পালানোর চেষ্টা করে। তখনই পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। এদিকে হাসপাতালে আসার সময় সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে যুবক জানান, “সে তাঁর স্ত্রীকে খুন করেনি। নিক্কি নিজেই নিজেকে মেরেছে। প্রতিটি ঘরেই স্বামী-স্ত্রীর অশান্ত হয়। আমি আমার স্ত্রীকে মারিনি”।

পলাতক পরিবারের বাকি সদস্যরা

এই ঘটনার পর বিপিনের বাবা, মা ও দাদা এখনও পলাতক। তাঁদের খোঁজে জারি রয়েছে তল্লাশি অভিযান। নিজের মায়ের মৃত্যু চাক্ষুষ দেখেছে নিক্কির নাবালক ছেলে। আর ওই বাড়িতেই বিপিনের দাদা রোহিতের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল মৃতের দিদি কাঞ্চনের। তাঁকেও পণের দাবিতে মারধর করা হত। সেও এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী। দুজনেই ইতিমধ্যে পুলিশের কাছে বয়ান দিয়েছে। সেই সঙ্গে মৃত্যুর আগে যেভাবে নিক্কিকে মারধর করে আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছিল, সেই হাড়হিম করা ভিডিয়ো পুলিশের কাছে পেশ করেছে দুজনে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে বিপিনকে।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement