Pawan Khera On Amit Shah: ১৯৪৮ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে ভারতীয় সেনা কি চূড়ান্ত অবস্থানে ছিল? বল্লভভাই প্যাটেলকে উপেক্ষা করে একতরফা যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করেন নেহেরু? শাহের দাবির পালটা পোস্ট কংগ্রেস নেতা পবন খেরার
৯৪৮ সালের ৪ জুন একটি চিঠি লেখেন গোপালস্বামী আয়েঙ্গারকে। নিজের পোস্টে সে বিষয়ে উল্লেখ করেন কংগ্রেস নেতা পবন খেরা। কংগ্রেস নেতার কথায়, সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ওই চিঠি অনুযায়ী, তিনি জওহরলাল নেহেরুর যুদ্ধ বিরতির সিদ্ধান্তের সঙ্গে সহমত ছিলেন বলে জানান এবং সেই সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পক্ষেও ছিলেন বলে উল্লেখ রয়েছে।
দিল্লি, ২৯ জুলাই: অপেরেশন সিদূঁর (Operation Sindoor) নিয়ে সংসদে ১৬ ঘণ্টার ঝোড়ো আলোচনা চলছে। যার মাঝে জওহরলাল নেহেরুকে (Jawaharlal Nehru) নিয়ে অমিত শাহের (Amit Shah) মন্তব্যের প্রেক্ষিতে এবার মুখ খুললেন পবন খেরা (Pawan Khera)। কংগ্রেস নেতা পবন খেরা নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেন। সেখানে পবন খেরা শাহের দাবির বিরোধিতা করে বলেন, ১৯৪৮ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের (India-Pakistan War) সময় ভারতীয় সেনাবাহিনী পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর দখলের জন্য তৈরি ছিল বলে অমিত শাহ যে দাবি করেছেন, তা সঠিক নয়। অমিত শাহ যে দাবি করেছেন, তা বিব্রত করছে দেশের মানুষকে। এমন মন্তব্যও কংগ্রেস নেতাকে করতে দেখা যায় নিজের পোস্টে।
এসবের পাশাপাশি সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল (Sardar Vallabhbhai Patel) ১৯৪৮ সালের ৪ জুন একটি চিঠি লেখেন গোপালস্বামী আয়েঙ্গারকে। নিজের পোস্টে সে বিষয়ে উল্লেখ করেন কংগ্রেস নেতা পবন খেরা। কংগ্রেস নেতার কথায়, সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ওই চিঠি অনুযায়ী, তিনি জওহরলাল নেহেরুর যুদ্ধ বিরতির সিদ্ধান্তের সঙ্গে সহমত ছিলেন বলে জানান এবং সেই সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পক্ষেও ছিলেন বলে উল্লেখ রয়েছে। ফলে অমিত শাহ যুদ্ধ বিরতির নাম করে জওহরলাল নেহেরুকে নিয়ে যা বলেন, তা সঠিক নয় এবং ঐতিহাসিক তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে দাবি করেন পবন খেরা। ওই সময় সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল নিজেই যুদ্ধ বিরতির পক্ষে ছিলেন বলে পবন খেরা নিজের চিঠিতে উল্লেখ করেন।
দেখুন পবন খেরার সেই পোস্ট...
সংসদে যখন অপারেশন সিঁদূর নিয়ে আলোচনা শুরু হয় ২৮ জুলাই, সেই সময় ভারতীয় সেনা অপারেশন মহাদেব শুরু করে। অপারেশন মহাদেবের মাধ্যমে পহেলগাম হামলাকারী ৩ জঙ্গিকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়। পহেলগামের হামলাকারীদের মৃত্যুর পর তাদের আস্তানা থেকে পাকিস্তানের ভোটার আইডি কার্ড, পাক চকোলেটের কাগজ উদ্ধার করা হয়।
লস্কর জঙ্গিদের ঘাঁটি থেকে যেভাবে পাক ভোচার কার্ড, চকোলেটের কাগজ উদ্ধার করা হয়, তা থেকে প্রমাণিত টিআরএফের ওই সদস্যরা কোন দেশের নাগরিক ছিল। বিরোধীদের তোপ দেগে এমন মন্তব্যও করতে শোনা যায় অমিত শাহকে।