Delhi Rape: সোশ্যাল মিডিয়ায় আলাপ থেকে বন্ধুত্ব, দিল্লির হোটেলে নিয়ে গিয়ে নাবালিকাকে ধর্ষণ!
সোশ্যাল মিডিয়ায় গড়ে ওঠা ক্ষণিকের পরিচয় বদলে গেল এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতায়। উত্তর দিল্লির ওয়াজিরাবাদ এলাকার একটি হোটেলে ডেকে নিয়ে গিয়ে এক নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে।
Delhi Rape: সোশ্যাল মিডিয়ায় গড়ে ওঠা ক্ষণিকের পরিচয় বদলে গেল এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতায়। উত্তর দিল্লির ওয়াজিরাবাদ এলাকার একটি হোটেলে ডেকে নিয়ে গিয়ে এক নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার পুরো বিষয়টি প্রকাশ্যে এনেছে দিল্লি পুলিশ। অভিযুক্ত যুবকও ওয়াজিরাবাদ অঞ্চলেরই বাসিন্দা বলে জানা গেছে। ঘটনার পর থেকেই সে পলাতক। পুলিশ বর্তমানে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে একাধিক স্থানে অভিযান চালাচ্ছে।
সোশ্যাল মিডিয়া থেকে পরিচয়, তারপর বন্ধুত্ব
পুলিশ সূত্রের খবর, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেই ওই নাবালিকা ও অভিযুক্তের মধ্যে প্রথম যোগাযোগ ও সখ্য গড়ে ওঠে। সেই সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে এবং বন্ধুত্বের অজুহাতে অভিযুক্ত যুবক নাবালিকাকে ওয়াজিরাবাদের একটি হোটেলে নিয়ে যায়। অভিযোগ, সেখানে হোটেলের ঘরের ভেতরেই ওই নাবালিকার ওপর নির্যাতন চালানো হয়।
থানায় অভিযোগ দায়ের, পকসো আইনে মামলা রুজু
ঘটনার পর কোনোমতে বাড়ি ফিরে এসে আতঙ্কিত নাবালিকা নিজের পরিবারের সদস্যদের কাছে সব কিছু খুলে বলে। বিষয়টি শোনামাত্রই পরিবারের লোকেরা দেরি না করে স্থানীয় থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিয়ে নাবালিকাকে নিকটস্থ হাসপাতালে শারীরিক পরীক্ষার জন্য পাঠায় এবং তার বিস্তারিত বয়ান রেকর্ড করে। জবানবন্দি ও মেডিকেল রিপোর্টের ভিত্তিতে ওয়াজিরাবাদ থানার পুলিশ যৌন অপরাধ থেকে শিশুদের সুরক্ষা সংক্রান্ত পকসো (POCSO) আইন এবং ভারতীয় দণ্ডবিধির অন্যান্য উপযুক্ত ধারায় একটি মামলা রুজু করেছে।
অভিযুক্তর খোঁজে পুলিশ
অভিযুক্ত ঘটনার পর থেকেই নিজের সমস্ত সম্ভাব্য ডেরা ছেড়ে আত্মগোপন করে রয়েছে। তাকে দ্রুত চিহ্নিত করে পাকড়াও করার জন্য পুলিশের বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে এক অপ্রাপ্তবয়স্ক নাবালিকাকে হোটেল কতৃপক্ষ কীভাবে ভিতরে যাওয়ার অনুমতি দিল, তা নিয়েও জোরালো তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ প্রশাসন। হোটেলের প্রবেশ রেজিস্টার, সিসিটিভি (CCTV) ফুটেজ এবং কর্মীদের ভূমিকা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। নির্যাতিতা আইনি সুরক্ষা পাওয়ার অধিকারী হওয়ায় তার পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখতে জোরকদমে তদন্ত প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে।