Cyclone Arnab: ঘূর্ণিঝড় অর্ণব নিয়ে জারি লাল সতর্কতা, প্রস্তুত ৩৩টি ওডিআরএএফ টিম

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি শক্তিশালী হয়ে গভীর নিম্নচাপে (Deep Depression) পরিণত হয়ে উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে। এর প্রভাবে রাজ্যের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

Cyclone (Photo Credits: Pixabay)

Cyclone Arnab: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি শক্তিশালী হয়ে গভীর নিম্নচাপে (Deep Depression) পরিণত হয়ে উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে। এর প্রভাবে রাজ্যের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। পরিস্থিতির মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি জোরদার করেছে ওড়িশা সরকার। রাজ্যের মুখ্যসচিবের নির্দেশে দক্ষিণ ওড়িশা ও উপকূলবর্তী জেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলির সঙ্গে পর্যালোচনা বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে।

আবহাওয়া দুর্যোগ সামলাতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করার পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড় অর্ণব ও বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রগুলি (Cyclone and Flood Shelters) প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ত্রাণ ও উদ্ধারের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, ওষুধ ও জরুরি পরিষেবা মজুত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে নদী, জলাশয় ও বাঁধগুলির জলস্তরের ওপর নজর রাখা হচ্ছে। বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে ধসপ্রবণ এলাকাগুলিতে।

ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাব শুরু

৩৩টি ওডিআরএএফ (ODRAF) টিম মোতায়েন

যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি দ্রুত সামাল দিতে মোট ৩৩টি ওড়িশা ডিস্টার অ্যাকশন র‌্যাপিড ফোর্স (ODRAF) টিম মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে সংবেদনশীল জেলাগুলিতে ২৪টি টিম কাজ শুরু করেছে এবং বাকি ৯টি টিমকে ছত্রপুরে রিজার্ভ রাখা হয়েছে। জেলাভিত্তিক মোতায়েনের ক্ষেত্রে গঞ্জাম ও কোরাপুট জেলায় ৬টি করে টিম মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া গজপতি, মালকানগিরি এবং রায়গড়ায় ৩টি করে, কালাহান্ডিতে ২টি এবং বলাঙ্গিরে ১টি ওডিআরএএফ টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

একাধিক জেলায় ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি

আবহাওয়া দফতরের (IMD) পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধ ও বৃহস্পতিবারের জন্য কোরাপুট, গজপতি এবং গঞ্জামে অতি ভারী বৃষ্টির কারণে 'রেড ওয়ার্নিং' (Red Warning) জারি রয়েছে। এছাড়া ২৪ ও ২৫ সেপ্টেম্বরের জন্য কালাহান্ডি, নবরংপুর, কোরাপুট এবং মালকানগিরি জেলাতেও রেড অ্যালার্ট বহাল থাকবে। জলসম্পদ বিভাগ থেকে প্রতিনিয়ত বৃষ্টির পরিমাণ, বাঁধগুলিতে জলের প্রবাহ এবং নদীর জলস্তরের ওপর নজরদারি চালানো হচ্ছে। সমুদ্র উত্তাল থাকায় আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

জলমগ্ন এলাকা

প্রশাসনের তরফে সাধারণ মানুষকে জলমগ্ন এলাকা, নিম্নাঞ্চল এবং নদীর প্রবাহমান জল থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ধসপ্রবণ এলাকাগুলিতে সতর্ক থাকতে এবং ভুয়ো গুজবে কান না দিয়ে কেবল সরকারি বিজ্ঞপ্তি ও আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাসের ওপর নির্ভর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement