'জরুরি অবস্থা ঘোষণা করুন': আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের ৫ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতের পর সুর চড়ালেন অভিজিৎ দীপকে
ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ ডিপকে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ প্রদর্শনের জেরে পুলিশি গ্রেফতারের মুখে পড়া তাঁর দলের কর্মী সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা এবং অজিঙ্ক শিন্ডের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন।
ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ ডিপকে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ প্রদর্শনের জেরে পুলিশি গ্রেফতারের মুখে পড়া তাঁর দলের কর্মী সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা এবং অজিঙ্ক শিন্ডের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। আজবুধবার (১৪ অক্টোবর) ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ ডিপকে জানিয়েছেন, দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রতিবাদের পর দিল্লি পুলিশে র হাতে আটক দলের কর্মী আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাসকে ৫ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ (X) নিজের সাম্প্রতিক বার্তায় ডিপকে অভিযোগ করেন, ওই দুই তরুণের "একমাত্র অপরাধ" ছিল যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা। একই সঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কঠোর সমালোচনা করেন।
"আশু এবং সৌরভকে ৫ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। ওদের অপরাধ? যন্তর মন্তরে তেরঙ্গা উড়ানো," এক্স-এ লিখেছেন ডিপকে।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে উদ্দেশ্য করে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে তিনি আরও লেখেন, "সাহস দেখান! যদি ভিন্নমত দমন করতে আপনি এতটা বদ্ধপরি কর হন, তবে এই কাপুরুষোচিত কৌশলের আড়ালে না লুকিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করার সাহস দেখান"।
দেখুন কী লিখলেন অভিজিত
যন্তর মন্তরে কেন গ্রেফতার হন CJP কর্মীরা?
যন্তর মন্তরে ঘটাই একটি ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দিল্লি পুলিশ CJP কর্মী আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস এবং অজিঙ্ক শিন্ডেকে আটক করার একদিন পর অভিজিৎ ডিপকের এই প্রতিক্রিয়া সামনে এলো। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে CJP-র আন্দোলনের পথ ধরেই এই গ্রেরের ঘটনা ঘটে।
দেখুন খবরটি
এক্স-এর আগের একটি বার্তায় ডিপকে আটক কর্মীদের সংসদ মার্গ পুলিশ স্টেশনের ভেতরের একটি ছবি শেয়ার করে সংহতি প্রকাশ করেছিলেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, "কোনও কিছুই ওদের মনোবল ভাঙতে পারবে না"।উল্লেখ্য, এই সাম্প্রতিক আপডেটটি মূলত রাঙ্কা ও দাসের বিচারবিভাগীয় হেফাজত সংক্রান্ত। আটক অপর সদস্য অজিঙ্ক শিন্ডের বর্তমান হেফাজতের অ বস্থা নিয়ে ডিপকের এই পোস্টে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৩ অক্টোবর বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করে যন্তর মন্তর এলাকায় জোর করে অভিযোগে দিল্লি পুলিশ তাঁদের আটক করে। পরিকল্পিত এই বিক্ষোভের ঠিক আগেই যন্তর মন্তরকে অনুমোদিত প্রতিবাদস্থলের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছি করেল প্রশাসন। ভোটার তালিকা সংশোধনের বাস্তবায়ন নিয়ে বিরোধী শিবিরের আপত্তির মধ্যে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে আসছি ল CJP। দলটির পক্ষ থেকে আটক কর্মীদের আইনি সহায়তার সুযোগ না পাওয়ার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।