Assam Rang Rape: অসমে কিশোরী গণধর্ষণের মুখ্য অভিযুক্তের মৃত্যু, থানায় নিয়ে যাওয়ার পথে কী ঘটল?
শুক্রবার রাতে ঘটনার সঙ্গে যুক্ত প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। থানায় নিয়ে আসার পথে পালানোর চেষ্টা করে সে। সোজা গিয়ে একটি পুকুরে ঝাঁপ দেয়।
নগাঁও, ২৪ অগাস্টঃ আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Hospital) মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার অভিযোগে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। হাসপাতালের অন্দরে কর্তব্যরত মহিলা জুনিয়র চিকিৎসকের এমন নির্মম পরিণতির জেরে সুবিচারের দাবিতে রাজ্যের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসকেরা প্রতিবাদ মিছিল চালাচ্ছে। এরই মাঝে অসমের (Assam) নগাঁও জেলায় (Nagaon) এক কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল। বিবস্ত্র অবস্থায় উদ্ধার হয় নাবালিকার দেহ। শুক্রবার রাতে ঘটনার সঙ্গে যুক্ত প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। থানায় নিয়ে আসার পথে পালানোর চেষ্টা করে সে। সোজা গিয়ে একটি পুকুরে ঝাঁপ দেয়। শনিবার সাত সকালে পুকুরে ডুবুরি এবং রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী নামিয়ে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। পুকুর থেকে উদ্ধার হল কিশোরী গণধর্ষণ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তের মৃতদেহ।
জানা যাচ্ছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় টিউশন শেষে সাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফিরছিল দশম শ্রেণির ওই কিশোরী। নগাঁও জেলার ধিং এলাকায় গণধর্ষণ করা হয় তাকে। স্থানীয় এক শ্মশানের কাছে কিশোরীকে নগ্ন এবং অর্ধচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে পথচারীরা। তারাই খবর দেয় পুলিশে। পুলিশ এসে কিশোরীকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
পুকুর থেকে উদ্ধার অভিযুক্তের দেহ...
আগুনের মত এই ঘটনা গোটা এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে শুরু হয় জোরালো প্রতিবাদ। শুক্রবার ওই এলাকায় বনধের ডাক দেয় অল অসম স্টুডেন্টস ইউনিয়ন। ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা। এরই মাঝে এদিন রাতেই পুলিশ গ্রেফতার করেছিল নগাঁও জেলায় ধিং গণধর্ষণ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত তফাজুল ইসলামকে। কিন্তু থানায় নিয়ে যাওয়ার পথেই পালানোর চেষ্টা করতে গিয়ে পুকুরে ঝাঁপ দিয়ে মৃত্যু হয়েছে অভিযুক্তের।