Udhampur Encounter After Pahalgam Terror Attack: পহেলগামে জঙ্গি হামলার পর উত্তাল কাশ্মীর, উধমপুরে গুলির লড়াইয়ে নিহত ১ জওয়ান, আহত ২, সূত্র
বুধবারের উচ্চ পর্যায়ের সিসিএস বৈঠকের পর জানানো হয়, ভারতীয় সেনা ৩ বাহিনীকেই সব সময় তৈরি থাকতে হবে। অর্থাৎ পহেলগামে জঙ্গি হামলার পর পাকিস্তানের সঙ্গে প্রায় সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ করা হয় ভারতের তরফে।
দিল্লি, ২৪ এপ্রিল: বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ফের এনকাউন্টার শুরু হয়েছে উধমপুরে (Udhampur Encounter)। আজ সকালে উধমপুরের বসন্তগড়ে সেনা বাহিনীর স্পেশাল ফোর্সের সঙ্গে জঙ্গিদের গুলির লড়াই শুরু হয়। যার জেরে একজনের প্রাণ গিয়েছে বলে খবর। সেই সঙ্গে আরও ২ জন আহত বলে খবর। তবে জঙ্গিদের অনুপ্রবেশ রুখতে সেনা বাহিনী এবং জম্মু কাশ্মীর (Jammu And Kashmir) পুলিশ (Police) এক নাগাড়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। ওই এলাকায় কতজন জঙ্গি রয়েছে বা আদৌ রয়েছে কি না, সে বিষয়ে জোরদার অভিযান শুরু করেছে সেনা বাহিনী। সেনা বাহিনীর তরফে প্রকাশ করা হয়েছে এই খবর।
পাকিস্তানে যেতে পারবেন না কোনও ভারতীয়...
এদিকে পহেলগামে (Pahalgam Terrorist Attack) জঙ্গিদের নারকীয় হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একাধিক কড়া পদক্ষেপ করা হয় ভারতের তরফে। পাকিস্তানের সঙ্গে সিন্ধু জলচুক্তি বাতিল করা হয়েছে। সেই সঙ্গে পাকিস্তানিরা কোনওভাবে ভারতে থাকতে পারবেন না বলে জানানো হয়েছে। ফলে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সমস্ত পাক নাগরিকদের ভারত ছাড়তে হবে বলে জানায় বিদেশ মন্ত্রক। সেই সঙ্গে আটারি সীমান্তও বন্ধ করা হয়েছে। পাকিস্তানিরা (Pakistani) যেমন ভারতে থাকতে পারবেন না। সেই সঙ্গে কোনও ভারতীয় (India) পাকিস্তানে যেতে পারবেন না বলে স্পষ্ট জানানো হয়।
এসবের পাশাপাশি বুধবারের উচ্চ পর্যায়ের সিসিএস বৈঠকের পর জানানো হয়, ভারতীয় সেনা ৩ বাহিনীকেই সব সময় তৈরি থাকতে হবে। অর্থাৎ পহেলগামে জঙ্গি হামলার পর পাকিস্তানের সঙ্গে প্রায় সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ করা হয় ভারতের তরফে।
সেই সঙ্গে পাকিস্তানের যে রাষ্ট্রদূত রয়েছেন, মধ্যরাতে তাঁকে সমন পাঠানো হয় দিল্লির তরফে। পাক রাষ্ট্রদূত যাতে শিগগিরই দিল্লি ছাড়েন, সে বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দেয় বিদেশ মন্ত্রক।
গত মঙ্গলবার দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাের বৈসরণে ভয়াবহ হামলা চালায় পাকিস্তানি জঙ্গিরা। ধর্ম দেখে বেছে বেছে হত্যা করা হয়। জঙ্গি হামলার জেরে পরপর ২৬ জনের প্রাণ যায়। যাঁদের মধ্যে একজন ছিলেন কাশ্মীরি ঘোড়া চালক। বাদবাকি পর্যটকদের বেছে বেছে হত্যা করা হয় বৈসরণ উপত্যকায়। যে ঘটনার পর থেকেই পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আরও খারাপ হতে শুরু করে।