Abhijeet Dipke: প্রধানমন্ত্রী মোদীর কাছে জ্ঞানেশ কুমার কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? পুলিশি পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন ককরোচ অভিজিৎ দীপকের, ভিডিও
দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে চলা বিক্ষোভ দমনে মোদী সরকারের কড়া পদক্ষেপ নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তুললেন ‘কাকরোচ জনতা পার্টি’র (CJP) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক।
Abhijeet Dipke: দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে চলা বিক্ষোভ দমনে মোদী সরকারের কড়া পদক্ষেপ নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তুললেন ‘কাকরোচ জনতা পার্টি’র (CJP) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক। দিল্লিতে অভূতপূর্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও গণগ্রেপ্তারের সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেছেন, নির্বাচন কমিশন প্রধানকে রক্ষা করতে সরকার কেন এতটা তৎপর, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।
এক সংবাদ সম্মেলনে অভিজিৎ দীপক অভিযোগ করেন, সিইসি-র বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ঠেকাতে রাজধানী দিল্লিকে কার্যত স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা, রেল চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা এবং বিরোধী নেতা ও আন্দোলনকারীদের নির্বিচারে আটক করার ঘটনাকে তিনি কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন।
‘মোদীজি কি নির্বাচন জিততে জ্ঞানেশ কুমারের সাহায্য নিচ্ছেন?’
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতি সরাসরি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে সিজিপি প্রতিষ্ঠাতা বলেন, "জাতীয় পতাকা উত্তোলন করাকেও আপনারা আইনের লঙ্ঘন বলছেন! কাকে বাঁচানোর জন্য এই সব করা হচ্ছে? জ্ঞানেশ কুমারকে রক্ষা করতে?"
দীপক আরও অভিযোগ তোলেন, "যদি উনি মোদীজিকে ভোটে জিততে সাহায্য না-ই করে থাকেন, তবে নরেন্দ্র মোদী কেন তাঁকে এমন নজিরবিহীন নিরাপত্তা দিয়ে আড়াল করছেন?"
সীমান্ত এলাকার মতো কড়াকড়ি দিল্লিতে!
দিল্লি পুলিশের কড়া সুরক্ষাবেষ্টনী ও নিষেধাজ্ঞাকে ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের সাথে তুলনা করেন দীপক। তিনি বলেন, একটি সাংবিধানিক পদের প্রধানের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ ঠেকাতে কেন ছাত্র সংগঠন, বিরোধী দল এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীদের যাতায়াতে বাধা দেওয়া হচ্ছে? ভোটার তালিকার ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ (এসআইআর) প্রক্রিয়া নিয়ে অস্বচ্ছতা ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে সিজিপি এবং বিভিন্ন গোষ্ঠী নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে। তবে বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন উভয়ই এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
গত ১০ অক্টোবরের ঘটনা ও আগামী ১৬ অক্টোবরের নতুন কর্মসূচি
উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর দিল্লিতে সিজিপি-র ডাকা বিক্ষোভ কর্মসূচির অনুমোদন দেয়নি পুলিশ। ওই দিন ব্যাপক কড়াকড়ির মধ্যে হাজার হাজার আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়, যার মধ্যে অভিজিৎ দীপক নিজেও ছিলেন। পরবর্তীতে আদালত থেকে তাঁরা জামিন পান।
বিতর্ক চলছেই
তবে বিতর্ক এখানেই থামেনি। বিক্ষোভ সম্পর্কিত মামলায় সিজিপি নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। এর প্রতিবাদে এবং ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে অভিজিৎ দীপক আগামী **১৬ অক্টোবর** কনট প্লাসের সেন্ট্রাল পার্কে জাতীয় পতাকা হাতে নতুন করে সমাবেশের ডাক দিয়েছেন। গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রতিবাদ করার অধিকার বনাম প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা, এই দুইয়ের লড়াইয়ে আপাতত দিল্লির রাজনৈতিক পারদ তুঙ্গে।