Tesla Car Fire: মাস্কের উপর ক্ষোভে একের পর এক টেসলা গাড়িতে আগুন বিক্ষোভকারীদের, দেখুন ভিডিয়ো
লাসভেগাসে টেসলার গাড়িতে আগুন লাগিয়ে নিজেদের ক্ষোভ মেটালেন বিক্ষোভকারীরা।
Multiple Tesla Cars Burned in Las Vegas Protest: বিক্ষোভকারীদের ক্ষোভের আগুনে পুড়ছে ইলন মাস্কের কোম্পানি টেসলার একের পর এক গাড়ি। ট্রাম্প প্রশাসনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি মাস্ক যখন সাধারণ মানুষদের চাকরি থেকে তাড়িয়ে প্রশাসনিক খরচ কমাতে ব্যস্ত, তখন লাসভেগাসে টেসলার গাড়িতে আগুন লাগিয়ে নিজেদের ক্ষোভ মেটালেন বিক্ষোভকারীরা। দুনিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি মাস্কের বিরুদ্ধে মার্কিন মুলুকে ক্ষোভ চরমে উঠেছে। আর তার ইলেকট্রিক গাড়িগুলিতে আগুন যেন সেই ক্ষোভের প্রতীক হয়ে দেখা দিচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল এক ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, লাসভেগাসের এক শো রুমের সামনে সারি সারি করে একের পর টেসলার ইলেকট্রিক গাড়ি দাঁড়িয়ে, আরে তাতে আগুন ধরে দাউদাউ করে জ্বলছে। একসঙ্গে অন্তত ১০টি গাড়িতে আগুন জ্বলছে। আর কিছুক্ষণ পরে একটি গাড়ি থেকে বিস্ফোরণের শব্দও শোনা গেল।
মাস্কের দাবি, এসব বিক্ষোভ অর্থের লোভে করছেন বিক্ষোভকারীরা
মাস্কের দাবি ডেমোক্র্যাটরা ধনকুবেরদের থেকে অর্থ নিয়ে এসব করছেন। কিন্তু যেভাবে টেসলার মালিকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ চরমে উঠছে তাতে মাস্কের এই দাবি তেমন টিকছে। এর আগে নিউ ইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, টেক্সাস সহ অন্তত ১০টি প্রদেশে টেসলার শো রুমের সামনে বহু বিক্ষোভকারীর উপস্থিতি ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঘেরাও চলেছে।
মাস্কের বিরদ্ধে কেন এত ক্ষোভের আগুন
একের পর এক দফতর থেকে সরকারী কর্মীদের বিতাড়িত করে মার্কিন কোষাগারের চাপ কমাচ্ছেন দুনিয়ার ধনীতম ব্যক্তি ইলন মাস্ক। ট্রাম্পকে বিপুল অর্থ সাহায্য করে মার্কিন মুলুকে ক্ষমতায় পরিবর্তন আনা মাস্ক এখন সাধারণ মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়ছেন। রোজই মাস্কের বিরুদ্ধে বড় বিক্ষোভ আন্দোলন চলছে দেশের নানা প্রান্তে। মাস্কের ইলেকট্রিক গাড়ি কোম্পানি টেসলার গাড়ি বয়কটের আন্দোলন গতি পাচ্ছে।
মাস্কের বিরুদ্ধে ক্ষোভে টেসলার গাড়িতে আগুন
মাস্কের কোম্পানির সব পণ্য, পরিষেবা বয়কটের দাবিতে উত্তাল
ভুয়ো খবর, মিথ্যা তথ্যের অভিযোগ তুলে মাস্কের এক্স (টুইটার) থেকে সাইন আউট হওয়ার স্লোগানও তোলা হচ্ছে। এই আন্দোলনে মাস্কের কোম্পানির শেয়ারের দর হু হু করে কমছে। টেসলার গাড়ির বিক্রিও তলানিতে ঠেকছে। ট্রাম্পের আবেদন সত্ত্বেও আমেরিকার বিভিন্ন প্রদেশে মাস্কের টেসলা ইলেকট্রিক গাড়ি নিয়ে চরম অনিহা দেখা যাচ্ছে।