Gaza Hospital Attack: গাজার শেষ বড় হাসপাতালকেও মিসাইলের আঘাতে ধ্বংস করল ইজরায়েল
গাজাকে পুরো ধ্বংস করে দেওয়ার জেদ অব্যাহত ইজরায়েলের। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট পদে শপথের আগে মুখরক্ষার যুদ্ধবিরতি শেষ করেই আবার গাজায় ক্রমাগত হামলা শুরু করেছে ইজরায়েলের বায়ুসেনা।
Gaza Hospital Attack: গাজাকে পুরো ধ্বংস করে দেওয়ার জেদ অব্যাহত ইজরায়েলের। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট পদে শপথের আগে মুখরক্ষার যুদ্ধবিরতি শেষ করেই আবার গাজায় ক্রমাগত হামলা শুরু করেছে ইজরায়েলের বায়ুসেনা। এবার মধ্য গাজার এক হাসপাতালে ইজরায়েলের ভয়াবহ মিসাইল আছড়ে পড়ল। এটাই গাজায় শেষ বড় বড় হাসপাতাল টিকে ছিল। বাকি সব হাসপাতালই ইজরায়েলের হামলায় পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। এবার মধ্য গাজার আল-আহলি ব্যাপস্টি হাসপাতালে (Al-Ahli Baptist Hospital) বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু-র দেশের হামলায় সেখানে আর রোগীদের চিকিতসা করার জায়গা থাকল না। কারণ সব হাসপাতালই ধ্বংস হয়ে গেল।
মধ্য গাজাকে ধ্বংস করার টার্গেট ইজরায়েলের
গাজার প্রশাসন জানায়, মধ্য গাজার সেই হাসপাতাল ইজরায়েলের হামলায় প্রায় পুরো বিল্ডিংটিই ভেঙে পড়েছে। তবে ইজরায়েলের দাবি, হামলার আগে তারা সেখান থেকে সবাইকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যায়। গাজার হাসপাতালগুলি হামাস জঙ্গিদের ঘাঁটি হয়ে রয়েছে, তাই সেগুলিকে আক্রমণ করা হচ্ছে বলে দাবি ইজরায়েলের।
মধ্য গাজার হাসপাতালে হামলা ইজরায়েলের
গাজায় খ্রীস্টান হাসপাতালে ইজরায়েলের হামলা
কেন এই হামলা, যুদ্ধ, রক্তস্নান
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর সীমান্ত টপকে ঢুকে পড়ে ইজরায়েলের সাধারণ মানুষদের হামলা, অপহরণ, নির্বিচারে খুন করে হামাস জঙ্গিরা। এরপর থেকেই ইজরায়েলের বোমারু বিমান হামাসের নিয়ন্ত্রণে থাকা গাজা, রাফা সহ প্য়ালেস্টাইনে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এখনও পর্যন্ত ইজরায়েলের হামলায় গাজার ৫০ হাজারেরও বেশী মারা গিয়েছে বলে খবর। হতদের মধ্য়ে বহু শিশু, মহিলা, বৃদ্ধ-বৃদ্ধাও রয়েছে। যদিও হামাসের অভিযোগ, হতের সংখ্যা ৬৫ হাজার ছাড়িয়েছে।