India-Pakistan Conflict: এখন পাক অধিকৃত কাশ্মীর ফিরিয়ে আনাই মূল লক্ষ্য, এরজন্য কারোর মধ্যস্থতার প্রয়োজন নেই, স্পষ্ট বার্তা নয়াদিল্লির
পাকিস্তান কথা দিয়ে কথা রাখে না, সেটা গত শনিবারই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। এতকিছুর পরও যখন পাকিস্তান হাতে পায়ে ধরে যুদ্ধবিরতি চেয়েছিল, তখন ভারত সরকার কিছুটা হলেও সহানুভূতি দেখিয়ে যুদ্ধবিরতিতে সম্মতি দিয়েছিল।
পাকিস্তান (Pakistan) কথা দিয়ে কথা রাখে না, সেটা গত শনিবারই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। এতকিছুর পরও যখন পাকিস্তান হাতে পায়ে ধরে যুদ্ধবিরতি চেয়েছিল, তখন ভারত (India) সরকার কিছুটা হলেও সহানুভূতি দেখিয়ে যুদ্ধবিরতিতে সম্মতি দিয়েছিল। কিন্তু তার পরক্ষণেই বেরিয়ে এল তাঁদের আসল রূপ। ঘোষণার তিনঘন্টার মধ্যে ফের ভারতে ড্রোন হামলা করেছিল পাকিস্তান। যদিও এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম সব ড্রোনকেই প্রতিহত করেছে। এরপরেও থেমে থাকেনি পাকিস্তান। এই যুদ্ধবিরতিকে নিজেদের জয় হিসেবে দেখতে শুরু করেছেন শাহবাজ শরিযফরা। গতকালের ঘটনৈার পর দফায় দফায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং সহ তিন সেনাবাহিনীর প্রধান বৈঠক করেছেন।
আর কোনও মধ্যস্থতা চায় না ভারত
এই বৈঠক নিয়ে এখনই কিছু সরকারীভাবে বলা হয়নি। তবে সূত্রের খবর, এবার পাকিস্তানকে কোনওভাবেই রেয়াত করবে না ভারত। এমনকী ভারত পাকিস্তানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী কাউকেই চায় না মোদী সরকার। জানা যাচ্ছে, কাশ্মীর নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে কেন্দ্র। এখন একটাই লক্ষ্য পাক অধিকৃত কাশ্মীর ফিরিয়ে আনা। একমাত্র মোস্ট ওয়ান্টেড সন্ত্রাসী, যাঁরা পাকিস্তানে গা ঢাকা দিয়েছে, তাঁদেরকে ভারতের হাতে তুলে দিলে আলোচনায় বসতে পারে। নাহলে আর কোনও কিছু নিয়ে কথা নেই। ভারত চায় না পাকিস্তানকে নিয়ে কেউ মধ্যস্থতা করুক।
দেখুন পোস্ট
অপারেশন সিঁদুর নিয়ে বার্তা নয়াদিল্লির
সেই সঙ্গে ইসলামাবাদের উদ্দেশ্যে বার্তা দিতে নয়াদিল্লি স্পষ্ট করেছে যে ওপারেশন সিঁদুর এখনও বন্ধ হয়নি। এটাই ভারতের নতুন স্বাভাবিক অবস্থা। পাকিস্তান সহ সারা বিশ্বকে এটাই মেনে নিতে হবে। সন্ত্রাসবাদকে মুছে দিতে ভারতের এই পদক্ষেপ চলবেই। এরমধ্যে আর কোনও বিকল্প কিছু হতে পারে না।