China Tsunami Bomb: সুনামি বোম এনে চমক দিচ্ছে চিন! শত্রু দেশকে জলদৈত্যে ভাসিয়ে যুদ্ধে জেতার তাল বেজিংয়ের

আকাশের পর এবার জলে। সামরিক ক্ষেত্রে চিন নিজেদের আরও শক্তিশালী করে তুলল। চিন জলের নিচে নতুন প্রজন্মের অত্যাধুনিক এমন এক অস্ত্র তৈরি করেছে যা বিশ্বের সামরিক ভারসাম্যে বড় পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। মিসাইলে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রকে টক্কর দেওয়ার পর, এবার জলযুদ্ধে সবাইকে ছাপিয়ে যাচ্ছে ড্রাগনের দেশ।

Tsunami Representative Photo (Photo Credits: Pixabay)

China Tsunami Bomb: এবার আর শুধু পরমাণু বোম নয়, চিনের হাতে আসতে চলেছে সুনামি বোম। এক বোমের আঘাতে নামিয়ে আনা যাবে কৃত্রিম সুনামি। আকাশের পর এবার জলেও চিনের চমক। সামরিক ক্ষেত্রে চিন নিজেদের আরও শক্তিশালী করে তুলতে চলেছে। চিন জলের নিচে নতুন প্রজন্মের অত্যাধুনিক এমন এক অস্ত্র তৈরি করেছে যা বিশ্বের সামরিক ভারসাম্যে বড় পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। মিসাইলে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রকে টক্কর দেওয়ার পর, এবার জলযুদ্ধে সবাইকে ছাপিয়ে যাচ্ছে ড্রাগনের দেশ। চিন আনছে সুনামি বোম। পারমাণবিক চালিত টর্পেডোর মাধ্যমে এই সুনামি বোম বানাচ্ছে শি জিনপিংয়ের দেশ। চিনের গোপন অস্ত্রে মহাসাগর, সাগরে ধেয়ে আসবে সুনামি। সমুদ্রের নিচে পুঁতে রাখা বোম ফেঁটে জল দৈত্য আছড়ে পড়বে। শত্রু দেশে সুনামি এসে সব কিছু ধ্বংস করে দেবে। এমন লক্ষ্যেই এগোচ্ছে ড্রাগনের দেশ। সুনামি এনে যুদ্ধ জয়ের চেষ্টায় চিন।

চিনের সুনামি বোমের পর নামবে কৃত্তিম সুনামি, আকাশছোঁয়া অট্টলিকার সমান জলস্তর পৌঁছে যাবে

বিশেষজ্ঞদের দাবি চিনের এই ভয়াবহ অস্ত্রে মহাপ্রলয় নামবে সাগর-মহাসাগরে। এই বোমের ফলে কোনো সাধারণ জলচ্ছাস নয়, বরং দুই কিলোমিটার উঁচু জলপ্রাচীর! আকাশছোঁয়া অট্টালিকার সমান উচ্চতার সেই জলোচ্ছ্বাস পুরো উপকূলরেখাকেই মুছে দিতে পারে মানচিত্র থেকে। সূত্রের খবর, জলের নিচে চিনের অস্ত্রটি তৈরি হচ্ছে রাশিয়ার কুখ্যাত পোসাইডন টর্পেডো-এর মডেল ধরে। ‘Poseidon’ একটি পারমাণবিক চালিত টর্পেডো, যা তৈরি করা হয়েছে ভয়ঙ্কর সুনামি বা জলোচ্ছ্বাস সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে। এমন সুনামি, যাকে সামরিক মহল বলছে "প্রলয়ঙ্করী মাত্রার"।

চিন আনছে 'সুনামি বোম'!

রাশিয়ার সাহায্য নিচ্ছে চিন

চিনের এই নতুন প্রকল্পের লক্ষ্য, রাশিয়ার Poseidon-এর সেই ক্ষমতাকেই অনুকরণ করা। দেশটির গবেষকরা মনোযোগ দিচ্ছেন উন্নত আন্ডারওয়াটার প্রযুক্তি-তে, যা ভবিষ্যতে শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে বড় কৌশলগত হুমকি হয়ে উঠতে পারে। এই উদ্যোগকে চিনের সামরিক আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement