Bangladesh Power Crisis: বিদ্যুৎসংকটে জেরবার বাংলাদেশ! রাত ৮টার মধ্যেই মল-দোকান বন্ধের নির্দেশ, ভারতের কাছে অতিরিক্ত ডিজেল সাহায্য চায় তারেক সরকার

মারাত্মক বিদ্যুৎসংকটে জেরবার বাংলাদেশ। দেশের একাধিক অঞ্চলে প্রতিদিন ৯ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। বিদ্যুৎ সঞ্চয় করতে ও জ্বালানি সাশ্রয়ে একগুচ্ছ কড়া পদক্ষেপ করেছে বাংলাদেশ প্রশাসন।

Power (Photo Credit: File Photo)

Bangladesh Power Crisis: মারাত্মক বিদ্যুৎসংকটে জেরবার বাংলাদেশ। দেশের একাধিক অঞ্চলে প্রতিদিন ৯ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। বিদ্যুৎ সঞ্চয় করতে ও জ্বালানি সাশ্রয়ে একগুচ্ছ কড়া পদক্ষেপ করেছে বাংলাদেশ প্রশাসন। দেশের সমস্ত শপিং মল, মার্কেট ও দোকানপাট রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার। একই সঙ্গে বর্তমান সংকট মোকাবিলায় ভারতের কাছে অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের জন্য জরুরি ভিত্তিতে সাহায্য চেয়ে পাঠিয়েছে ঢাকা।

কী কী কারণে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাপক ব্যাহত হয়েছে

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিতিশীলতা এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের তীব্র ঘাটতির কারণে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাপক ব্যাহত হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে খবর, দেশে গড়ে ১৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা থাকলেও সরবরাহ পৌঁছাচ্ছে মাত্র ১৩ হাজার মেগাওয়াটে। প্রায় ৫ হাজার মেগাওয়াট ঘাটতির জেরে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চল ছাড়া মফস্বল এবং গ্রামগুলিতে নজিরবিহীন লোডশেডিং চলছে। খুলনা, বরিশাল, ময়মনসিংহ, রংপুর ও সিলেটের মতো এলাকাগুলিতে দিনে ৯ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ পরিষেবা স্তব্ধ হয়ে পড়ছে।

বিদ্যুৎ ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিদ্যুৎ বিভাগের তরফ থেকে বিশেষ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। সেখানে জানানো হয়েছে:

১) দেশের সমস্ত শপিং মল, বাজার ও দোকানপাট সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।

২) সন্ধে ৭টার পর সমস্ত আলোকসংবলিত বিজ্ঞাপন বোর্ড (বিলবোর্ড) বন্ধ রাখতে হবে।

৩) মেলা, সামাজিক অনুষ্ঠান ও আলোকসজ্জার ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা বজায় থাকবে।

৪) তবে হাসপাতাল ও ওষুধের দোকান এই নির্দেশের আওতামুক্ত থাকবে।

বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ-ব্যবসায়ীরা

বিদ্যুৎসংকটের কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা। শিল্পকারখানা এবং তৈরি পোশাক খাতে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সবচেয়ে বেশি সংকটে পড়েছেন চিংড়ি চাষি ও কৃষকরা। সেচের জন্য ডিজেল চালিত পাম্পের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ায় উৎপাদন খরচ লাফিয়ে বাড়ছে।

ভারতের দ্বারস্থ তারেক সরকার

বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলি সচল রাখা ও ডিজেল চালিত জেনারেটরের চাহিদা মেটাতে ভারতের সাহায্য চেয়েছে ঢাকার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রক। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর, বাংলাদেশ সরকারের ডিজেল সরবরাহের আবেদনটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। সংকট কাটতে আরও কয়েক মাস সময় লাগতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত এই কঠোর বিধিনিষেধ জারি থাকবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement