Bangladesh EAM Attaks BNP: 'জঙ্গি সংগঠনে পরিণত হওয়ার পর থেকে সমর্থন কমেছে বিএনপি-র', ভিডিয়োতে শুনুন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী আব্দুল মোমেনের বক্তব্য

রাত পোহালেই সাধারণ নির্বাচন বাংলাদেশে। ইতিমধ্যেই ভুয়ো নির্বাচনের অভিযোগ জানিয়ে তা বয়কট করে বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছে বিএনপি।

বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন (Photo Credits: Twitter)

সিলেট: রাত পোহালেই সাধারণ নির্বাচন (General Elections) বাংলাদেশে (Bangladesh)। ইতিমধ্যেই ভুয়ো নির্বাচনের অভিযোগ জানিয়ে তা বয়কট (boycott) করে বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছে বিএনপি (Bangladesh Nationalist Party)। শনিবার সন্ধ্যায় এই বিষয়ে দেশের বিরোধী দল বিএনপিকে তীব্র আক্রমণ করলেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন (Bangladesh Minister Of Foreign Affairs AK Abdul Momen)। তারা জঙ্গি সংগঠনে (terrorist organisation) পরিণতে হওয়ার পর থেকে জনসমর্থন হু হু করে কমছে বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।

এপ্রসঙ্গে বলেন, "অক্টোবর মাসের ২০ তারিখের আগে পর্যন্ত বিএনপি ছিল বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ দল। যখন থেকে তারা নিজেদের জঙ্গি সংগঠনে রূপান্তরিত করেছে, তখন থেকে বিএনপির প্রতি সমর্থন নাটকীয়ভাবে কমে গেছে। মানুষ আর তাদের কথা শোনে না। লোকেরা দাবি করছে যে যেহেতু ওরা একটি জঙ্গি সংগঠনে পরিণত হয়েছে, তাই ওদের নিষিদ্ধ করা উচিত। তাই ওদের বয়কট কোন প্রভাব ফেলবে না।" আরও পড়ুন:

বৃহস্পতিবারই ট্রেনে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। সেই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে বর্ষীয়ান আওয়ামী লিগ নেতা বলেন, "আমাদের দক্ষিণ এশিয়ার সংস্কৃতিতে, নির্বাচনের আগে এবং পরে সবসময়ই কিছু না কিছু বিঘ্ন ঘটে। গতকাল কিছু সন্ত্রাসীরা চারটি বগি পুড়িয়ে দিয়েছে যার ফলে ৪ জন মারা গেছে। ওদের অবশ্যই গ্রেফতার করা হবে। পুলিশ ইতিমধ্যেই এর পিছনে থাকা মূল মাথকে তুলে নিয়েছে। তিনি বিরোধী দল বিএনপির সদস্য। সাধারণ মানুষের দাবি, ওকে গুলি করে হত্যার জন্য। যাতে এই ঘটনা অন্যদের এ ধরনের অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর না করার শিক্ষা দেয়।" আরও পড়ুন:

দেখুন ভিডিয়ো:

সবাই ভোট দিতে উন্মুখ জানিয়ে একে আব্দুল মোমেন বলেন, "এখান মেজাজ উত্তেজনায় ভরপুর। সব শ্রেণীর মানুষ সম্পূর্ণভাবে উত্তেজিত এবং ভোট দিতে প্রস্তুত। সরকার ও নির্বাচন কমিশনও সম্পূর্ণ প্রস্তুত। এই প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটালে তাকে ধরতে এবং শাস্তি দেওয়ার জন্য সরকার সব ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। কোনও ধরনের হিংসার আশঙ্কা নেই। আগামীকাল অবাধ, সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও অহিংস নির্বাচন হবে। এবার ২৮টি রাজনৈতিক দলের ২ হাজার প্রার্থী এবং ৩৬৯ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।"

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement