Trinamool Congress Leader Shot In Cooch Behar: অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতির গুলিতে গুরুতর আহত কোচবিহারের তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা, এক বিজেপি কর্মীকে আটক করল পুলিশ

Gun, Representational Image (Photo Credit: File Photo)

কোচবিহারে অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীর গুলিতে জখম হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের কোচবিহার ২ নং পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ রাজু দে। পুলিশ সূত্রের খবর বৃহস্পতিবার রাত ১০ টা নাগাদ পার্টি অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে একটি কালো রং এর স্করপিও গাড়িতে করে এসে দুস্কৃতিরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। ওই নেতার ডান কাধে গুলি লাগে, গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সে কোচবিহারের একটি বে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অস্ত্রোপচার করে গুলি বের করা হয়েছে, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন আপাতত স্থিতিশীল তিনি। তৃণমূল সূত্রের খবর ঘটনাটি ঘটে কোচবিহার-২ ব্লকের ঝিনাইডাঙা এলাকায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজু দে কোচবিহার-২ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ এবং চকচকা অঞ্চলের প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতি। দলীয় কাজ সেরে ফিরছিলেন তিনি, সেই সময় কালো রঙের একটি স্করপিও গাড়িতে এসে একদল দুষ্কৃতী তাঁর উপরে গুলি চালায়। মোট পাঁচ রাউন্ড গুলি ছোড়ে দুষ্কতীরা। একটি গুলি রাজুর ডান হাতের পিছনের দিকে লাগে।

এই ঘটনার জন্য সরাসরি বিজেপিকে দায়ী করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবেই রাজু দে-কে নিশানা করা হয়েছে। পুলিশ কোচবিহারে তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার ঘটনায় কোচবিহার উত্তর কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক সুকুমার রায়ের ঘনিষ্ঠ এক কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। পাশাপাশি সুকুমার রায়ের গাড়িও আটক করা হয়েছে। বিষয়টিকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন কোচবিহার উত্তর কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক সুকুমার রায়। বিধায়ক সুকুমার রায় পাল্টা অভিযোগে বলেন, ‘‘এই হামলার পেছনে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বই দায়ী। ওদের অনেক কর্মী সমাজবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত। নিজেদের অন্তর্দ্বন্দ্বের ফলেই এই ঘটনা ঘটেছে। বিজেপির কোনও নেতা বা কর্মী এর সঙ্গে যুক্ত নয়।’’নেতাকে গুলি করার ঘটনার প্রতিবাদে আজ কোচবিহারের বিভিন্ন জায়গায় পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল কংগ্রেস

Share Now
Advertisement


Advertisement
Share Now
Advertisement