Murshidabad Flood Situation: মুর্শিদাবাদের সামসেরগঞ্জে শুরু গঙ্গা নদীর তীব্র ভাঙন, ব্রাহ্মণী ও দ্বারকা নদীর জলে প্লাবিত বেশ কয়েকটি গ্রাম।
উত্তরবঙ্গের বৃষ্টিতে ভয়াবহ অবস্থা মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন জেলা। মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জে ভয়াবহ গঙ্গা ভাঙন শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে ৮-১০টি বাড়ি। অতি বৃষ্টিতে জলস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে ব্রাহ্মণী ও দ্বারকা নদীর জলে এবার মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামের ঝিল্লি গ্রাম পঞ্চায়েতের একাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। জল ঢুকেছে গ্রামের বাসিন্দাদের বসত বাড়ি গুলিতেও। জলের তলায় গ্রামের, এলাকার বিঘার পর বিঘা কৃষি জমিও।প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদী লাগোয়া বাসিন্দাদের অন্যত্র সরে যাওয়ার জন্য সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অনেকেই নিজেদের ভিটেবাড়ি ছেড়ে ঠাঁই নিয়েছে উঁচু জায়গায়। এখনো পর্যন্ত এই এলাকায় পৌঁছায়নি কোন সরকারি ত্রাণ বা সাহায্য। এলাকায় একটি সেতু ও সরকারি ত্রাণের দাবি করছেন বাসিন্দারা।গঙ্গার ঢুকে জলমগ্ন মুর্শিদাবাদের ফরাক্কা ব্লকের বেওয়া ১ পঞ্চায়েতের অন্তর্গত নিমতলার রায়পাড়া ও শিকারপুরের নদী তিরবর্তী এলাকা। অন্যদিকে পদ্মার দুই কুল ছাপিয়ে রঘুনাথগঞ্জের শেখালিপুরে জল ঢুকেছে গ্রামের মধ্যে। সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। জঙ্গিপুরে পদ্মার জলস্তর সর্বোচ্চ বিপদসীমা ২১.৬৪ মিটার থেকে ৪ সেন্টিমিটার উপরে বইছে।
গঙ্গার ভাঙ্গনে তলিয়ে গেল একাধিক বাড়ি
তবে মুর্শিদাবাদ জেলায় অতিবৃষ্টির ফলে হাসি ফুটেছে পাট চাষিদের মুখে। জানুয়ারি থেকে আগস্টের ৫ তারিখ পর্যন্ত বৃষ্টির স্বাভাবিক পরিমাণ হওয়া উচিত ৭৯৬
মিলিমিটার। কিন্তু এবছর ৮০৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি বৃদ্ধিমপাওয়ায় মুর্শিদাবাদ জেলার সর্বত্র জল
জমেছে।।খাল, বিল, পুকুর এবং নালা বৃষ্টির জল জমায় পাট জাক দিতে।সুবিধা হয়েছে চাষিদের। মরশুমের প্রথম দিকে পাটের দাম ভালো থাকায় দ্রুত পাট পচিয়ে তা বাজারজাত করার ঝোঁক বেশি কৃষকদের মধ্যে।