Md Salim On Anubrata Mondal Abusive Comment: যদি পুলিশের মেরুদণ্ড থাকত, তাহলে প্রতিবাদ করতো, অনুব্রতর কুৎসিত মন্তব্যের সমালোচনা করলে সেলিম

দিনকয়েক ধরে ফের খবরের শিরোনামে এসেছেন বীরভূমের দাপুটে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। গরুপাচার কাণ্ডে ৮ মাস আগেই জামিনে ছাড়া পেয়েছেন তিনি।

দিনকয়েক ধরে ফের খবরের শিরোনামে এসেছেন বীরভূমের দাপুটে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। গরুপাচার কাণ্ডে ৮ মাস আগেই জামিনে ছাড়া পেয়েছেন তিনি। তারপরেও বেলাগাম মন্তব্য তিনি করতে যে ভোলেননি, তার প্রমাণ মিলল এবার। সম্প্রতি বোলপুর থানায় কর্মরক এক আইসিকে কার্যত অকথ্য ভাষায় গালাগালি দিয়ে হুমকি দিয়েছেন অনুব্রত। আর সেই অডিয়ো ক্লিপ ভাইরাল হতেই সমালোচনার ঝড় ওঠে রাজ্য রাজনীতিতে। যদিও সেই অডিয়ো ক্লিপের সত্যতা যাচাই করেনি লেটেস্টলি বাংলা। তবে এই ঘটনার চারঘন্টার মধ্যে অনুব্রতকে ক্ষমা চাওয়ার নির্দেশ দেয় তৃণমূল নেতৃত্ব। যদিও তারপর ক্ষমাও চান তিনি।

ক্ষমা চেয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল

তবে ক্ষমা চাওয়ার পরেও বিতর্ক থামছে না। যার ফলে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে মামলা। বীরভূম পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযুক্ত নেতার বিরুদ্ধে আইন মেনে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এই নিয়ে এসডিপিও অফিসে বোলপুর থানার আইসিকে নিয়ে বৈঠকও করেন পুলিশ সুপার। হেনস্থা হওয়া পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে গত ২৯ মে তোলাবাজির অভিযোগে বোলপুর থানা ঘেরাও করে বোলপুর নাগরিক মঞ্চ। জানা যাচ্ছে, সেই ঘেরাও অভিযানে নাকি ছিল অনুব্রত অনুগামীরাও। ওইদিন রাতেই আইসিকে ফোন করে অকথ্য ভাষায় হুমকি দেন তৃণমূলের দাপুটে নেতা।

দেখুন মহম্মদ সেলিমের মন্তব্য

অনুব্রতর মন্তব্যে সমালোচনার ঝড় রাজনৈতিক মহলে

এই প্রসঙ্গে সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম বলেন, “এটাই তৃণমূলের সংস্কৃতি। অনুব্রত মণ্ডল তো যে সে লোক নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খাস লোক। তাঁর প্যায়ারের লোক যে নোংরা ভাষা একজন পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে, তা উচ্চারণ করতেও সম্মানে বাধছে। এর থেকে বোঝা যাচ্ছে, মা-বোনদের সম্পর্কে ওদের দৃষ্টিভঙ্গি কী। যদি পুলিশের মেরুদণ্ড থাকত, তাহলে আইপিএস অ্যাসোসিয়েশন ও বেঙ্গল পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের সংগঠিত ভাবে এর প্রতিবাদ করা উচিত। এবং মমতা ব্যানার্জি অনুব্রতর বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়, সেটা আমি দেখব”।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Share Now
Advertisement