Kolkata: ভারত-চিন সীমান্ত সংঘর্ষের আঁচ শহর কলকাতাতেও, একাধিক হোটেলের দরজা বন্ধ হল চিনা নাগরিকদের জন্য

ভারত-চিন সীমান্ত সংঘর্ষে নিয়ে চড়ছে পারদ। সীমান্ত সংঘর্ষের উত্তেজনায় বয়কট চিনের আওয়াজ উঠেছিল শহর কলকাতার বুকে। বিশেষত, ভারতের ২০ জন জওয়ান মৃত্যুর পর আওয়াজ আরও জোরালো হয়। কখনও চিনা পণ্য, কখনও আবার শহরের হোটেলের দরজা বন্ধ হয়েছে চিনা নাগরিকদের জন্য। মধ্য কলকাতার পার্ক স্ট্রিট, রয়েড স্ট্রিট, মির্জা গালিব স্ট্রিট, শহরে ব্যবসা করতে আসা চিনা নাগরিকদের অন্যতম পছন্দের জায়গা।

প্রতীকী ছবি (File Photo)

কলকাতা, ২৮ জুন: ভারত-চিন সীমান্ত (India-China Border Tension) সংঘর্ষে নিয়ে চড়ছে পারদ। সীমান্ত সংঘর্ষের উত্তেজনায় 'বয়কট চিন'-র আওয়াজ উঠেছিল শহর কলকাতার (Kolkata) বুকে। বিশেষত, ভারতের ২০ জন জওয়ান মৃত্যুর পর আওয়াজ আরও জোরালো হয়। কখনও চিনা পণ্য, কখনও আবার শহরের হোটেলের দরজা বন্ধ হয়েছে চিনা নাগরিকদের জন্য। মধ্য কলকাতার পার্ক স্ট্রিট, রয়েড স্ট্রিট, মির্জা গালিব স্ট্রিট, শহরে ব্যবসা করতে আসা চিনা নাগরিকদের অন্যতম পছন্দের জায়গা।

খবর অনুযায়ী, সীমান্তে ভারত-চিন সংঘর্ষে চিনা নাগরিকদের জন্য বন্ধ হয়ে গেল পার্ক ইন, গ্রীন ভিউ, প্রেসিডেন্সি ইন, আকাশগঙ্গা-র দরজা! শনিবার মধ্য কলকাতার চালু অনেক হোটেলে চাইনিজদের জন্য 'নো এন্ট্রি' বোর্ড লাগিয়ে দেয়। নিউজ এইটিনকে দেওয়া এক সাক্ষ্যাৎকারে, পার্ক ইন হোটেলের মালিক ইশতিয়াক আহমেদ জানান, ‘সীমান্তে আমাদের সেনা জওয়ানদের ওপর ওরা হামলা চালাবে! আর আমরা ওদের হোটেলে ওয়েলকাম জানাব, এটা হতে পারে না। আমাদের হোটেলের দরজা আজ থেকে ওদের জন্য বন্ধ।’ আরও পড়ুন, রাহুল গান্ধির #SurenderModi পাকিস্তান ও চিনকে উৎসাহিত করেছে: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ

মির্জা গালিব স্ট্রিটের প্রেসিডেন্সি ইন, ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের হোটেল বেঙ্গলের ছবিটাও একই রকম। সাদা কাগজে এন্ট্রি গেটে লাগানো 'CHINESE BOARDERS ARE NOT ALLOWED' বোর্ড। প্রেসিডেন্সি ইন হোটেলের ম্যানেজার রাজা কিংবা হোটেল বেঙ্গলের মালিক সাব্বির আহমেদ নিউজ এইটিনকে জানায়,‘আর্থিক ক্ষতি হলে হবে। কিন্তু চিনাদের সঙ্গে কোন ব্যবসায়িক সম্পর্কে নেই। হোটেলে জায়গা দেওয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না।’

এদিকে শহরে রয়েছে চিনা পাড়া। চায়না টাউন লকডাউনের কারণে এমনিতেই ব্যবসায় মন্দা। শহরের একাধিক হোটেলে চিনা নাগরিকও নিষিদ্ধ। এর ফলে পরিষ্কার হয়েই যাচ্ছে চিন নিয়ে বিদ্বেষ দানা বাঁধছে বেশ কিছু জায়াগায়।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement