Who is Lorna Hajdini? ভারতীয় সহকর্মীকে নিগ্রহের অভিযোগে কাঠগড়ায় জেপি মর্গ্যান কর্ত্রী
জেপি মর্গ্যান চেসের এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর লর্না হাজদিনির বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থা ও বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্যের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত সহকর্মী। নিউ ইয়র্কের আদালতে দায়ের হওয়া এই মামলাটি বর্তমানে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আন্তর্জাতিক ব্যাঙ্কিং সংস্থা জেপি মর্গ্যান চেস (JPMorgan Chase)-এর এক মহিলা এগজিকিউটিভ ডিরেক্টরের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থা এবং বর্ণবিদ্বেষী আচরণের বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন তাঁরই এক প্রাক্তন সহকর্মী। অভিযুক্ত লর্না হাজদিনির (Lorna Hajdini) বিরুদ্ধে নিউ ইয়র্ক কাউন্টি সুপ্রিম কোর্টে একটি দেওয়ানি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগকারী ব্যক্তি, যিনি একজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যাঙ্কার, দাবি করেছেন যে লর্না হাজদিনি তাঁর পদমর্যাদাকে ব্যবহার করে দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে তাঁকে মানসিক ও শারীরিক নিগ্রহ করেছেন।
লর্না হাজদিনি কে?
লর্না হাজদিনি বর্তমানে জেপি মর্গ্যান চেসের নিউ ইয়র্ক স্থিত 'লিভারেজড ফিন্যান্স' (Leveraged Finance) বিভাগের এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত। গত ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি এই সংস্থায় কাজ করছেন। নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটির স্টার্ন স্কুল অফ বিজনেস এবং হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলের মতো স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান থেকে ডিগ্রিধারী লর্না ব্যাঙ্কিং মহলে বেশ পরিচিত নাম ছিলেন। তবে এই মামলার পর তাঁর পেশাদার পরিচয় নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
কী কী অভিযোগ উঠেছে?
আদালতে জমা দেওয়া নথিতে অভিযোগকারী (যিনি নিজের নাম গোপন রেখেছেন) বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন:
বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্য: লর্না হাজদিনি তাঁকে বারবার 'ব্রাউন বয় ইন্ডিয়ান' (Brown Boy Indian) বলে সম্বোধন করতেন এবং তাঁর জাতিগত পরিচয় নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করতেন বলে অভিযোগ।
কর্মজীবনে প্রভাব ফেলার হুমকি: অভিযোগকারীর দাবি, লর্না তাঁকে বলতেন যে তিনি তাঁকে 'মালিকানা' (Own) করেন। তাঁর যৌন আবদারে সাড়া না দিলে পদোন্নতি আটকে দেওয়া এবং কর্মজীবন ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হতো।
শারীরিক নিগ্রহ ও যৌন হেনস্থা: অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের বসন্তকাল থেকে এই নিগ্রহ শুরু হয়। লর্না জোরপূর্বক যৌনকর্মে বাধ্য করা এবং অনুমতি ছাড়াই মাদক খাইয়ে হেনস্থা করার মতো মারাত্মক অভিযোগের সম্মুখীন হয়েছেন।
জেপি মর্গ্যান কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া
এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর জেপি মর্গ্যান চেস-এর পক্ষ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করা হয়েছে। সংস্থার মুখপাত্র জানিয়েছেন যে, তাঁরা এই অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করেছেন। তবে তাঁদের অভ্যন্তরীণ তদন্তে লর্নার বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের দাবি, অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং অভিযোগকারী ব্যক্তি তদন্ত প্রক্রিয়ায় পূর্ণ সহযোগিতা করেননি।
এই মামলাটি কর্পোরেট জগতের ক্ষমতা অপব্যবহার এবং লিঙ্গ নিরপেক্ষ হেনস্থার বিষয়টিকে পুনরায় সামনে নিয়ে এসেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় লর্নার লিঙ্কডইন প্রোফাইল এবং পুরনো পোস্টগুলো নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগকারী দাবি করেছেন যে, ব্যাঙ্কে রিপোর্ট করার পর উল্টে তাঁকেই বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন এবং আদালত এই অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখছে।
(Social media brings you the latest breaking news, viral news from the world of social media including Twitter, Instagram and YouTube. The above post is embedded directly from the user's social media account. This body of content has not been edited or may not be edited by Latestly staff. Opinions appearing on social media posts and the facts do not reflect the opinions of Latestly, and Latestly assumes no responsibility for the same.)