Space Debris Hits Plane: মহাকাশ থেকে ছিটকে আসা স্পেস ডেবরিসের আঘাতে ভাঙল বিমানের জানলা, জখম পাইলট, জরুরি অবতরণ
মহাকাশে মহাবিপদ। মহাকাশ আবর্জনার বড় শিকার এবার বাণিজ্যিক যাত্রীবাহী বিমান। স্পেস ডেবরিস বা মহাকাশ আবর্জনা যে ক্রমশ মানুষের কাছে বড় বিপদ হয়ে দাঁড়াচ্ছে সেটা আবার প্রমাণ হল। ডেনভার (DEN) থেকে লস এঞ্জেলস (LAX)গামী'ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সের বোয়িং ৭৩৭ MAX ৮' বিমানটির ককপিটের কাঁচের জানলায় আঘাত করল মহাকাশ আবর্জনা বা স্পেস ডেবরিস।
Space Debris Hits Plane: মহাকাশে মহাবিপদ। মহাকাশ আবর্জনার বড় শিকার এবার বাণিজ্যিক যাত্রীবাহী বিমান। স্পেস ডেবরিস বা মহাকাশ আবর্জনা যে ক্রমশ মানুষের কাছে বড় বিপদ হয়ে দাঁড়াচ্ছে সেটা আবার প্রমাণ হল। ডেনভার (DEN) থেকে লস এঞ্জেলস (LAX)গামী'ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সের বোয়িং ৭৩৭ MAX ৮' বিমানটির ককপিটের কাঁচের জানলায় আঘাত করল মহাকাশ আবর্জনা বা স্পেস ডেবরিস। United Boeing 737 MAX 8 বিমানটিকে 'সল্টলেক সিটি'তে জরুরি অবতরণ করতে হল। এই দুর্ঘটনার কারণে পাইলটের হাতও কেটে গেল। বড় দুর্ঘটনা এড়ানো গেল পাইলটের তৎপরতায়। স্পেস ডেবরিসের আঘাতের কারণে যাত্রীবাহী বিমানের দুর্ঘটনার নয়া আশঙ্কা তৈরি হল। স্পেস ডেবরিস হলো মহাকাশে থাকা নষ্ট বা অব্যবহৃত বস্তু। এর মধ্যে রয়েছে রকেটের ভাঙা অংশ, ব্যবহার করা শেষ স্যাটেলাইট, মহাকাশযানের ক্ষতিগ্রস্ত উপকরণ এবং অন্যান্য ছোট ধ্বংসাবশেষ। পৃথিবীর কক্ষপথে এই বস্তুগুলো দ্রুত ঘুরছে এবং কখনও কখনও সক্রিয় স্যাটেলাইট বা মহাকাশযানের সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটাতে পারে।
বিমানটিতে ১৪০ জন যাত্রী ছিলেন, আরও বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত
স্পেস ডেবরিসের আঘাতে লাগা সেই বিমানটিতে ছিলেন ১৪০ জন যাত্রী ও ৬ জন ক্রু সদস্য। সল্টলেক সিটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রায় ২০০ মাইল দক্ষিণ-পূর্বে, ৩৬,০০০ ফুট উচ্চতায় ভ্রমণের সময়, পাইলটরা বিমানের কাঁচে আঘাতের খবর দেন, যার ফলে 'মাল্টি-পেন' ককপিট উইন্ডশিল্ডের একটি স্তর ফাটল ধরে। ক্যাপ্টেন আঘাতকারী বস্তুটিকে ধাতব মহাকাশ ধ্বংসাবশেষের মতো বলে জানান। বরাতজোরে কোনো যাত্রী আহত হননি। তবে এক পাইলটের হাতে চোট লাগে। সম্ভবত আঘাতের প্রভাব বা উড়ন্ত কাঁচের টুকরোর কারণে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, বিমানটির উইন্ডশিল্ডের বহির্গামী অংশের দগ্ধ চিহ্ন ও আঘাতের গর্ত দেখানো ছবি, যা বিমানের বিশেষজ্ঞদের মধ্যে জোর চর্চার বিষয় হয়েছে।
দেখুন এই খবরটি ছবিতে
মহাকাশে স্পেস ডেবরিসের সংখ্যা ( ট্র্যাকযোগ্য বড় অবজেক্টের সংখ্যা) প্রায় ৪০ হাজারের বেশি
মহাকাশ বিজ্ঞান যত উন্নত হচ্ছে, ততই মহাকাশে মানুষের প্রতিনিধির সংখ্যা বাড়ছে। মহাকাশে এখন প্রায় রোজই পাঠানো হচ্ছে রকেট থেকে মহাকাশ যান। মহাকাশে রকেট, স্যাটেলাইট পাঠানো এক বড় ব্যবসা। কিন্তু মহাকাশে এসব যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে মহাকাশ আবর্জন। যাকে বলা হয়, স্পেস ডেবরিস।
দেখুন ভিডিও
মহাকাশে ছেয়ে যাচ্ছে আবর্জনা বা মহাকাশ জঞ্জালে
মহাকাশে ছেয়ে গেছে মানুষের পাঠানো রকেট, স্য়াটেলাইট, মহাাকশ যানের নষ্ট বা ভেঙে যাওয়া অংশ। আর সেই সব ধ্বংসাবশেষের কিছু অংশ ঢুকে পড়ছে। এই ধ্বংসাবশেষ শুধু মহাকাশে ভেসে থাকে না, কখনও কখনও পৃথিবীর কক্ষপথে বা যাত্রাপথে থাকা অন্যান্য যানবাহনের সাথে সংঘর্ষ ঘটাতে পারে। এমনকি এর কিছু অংশ নেমে এসে বিমানের ককপিট বা উইন্ডশিল্ডে আঘাত করতে পারে,কখনও কখনও পৃথিবীর কক্ষপথে বা যাত্রাপথে থাকা অন্যান্য যানবাহনের সাথে সংঘর্ষ ঘটাতে পারে। এমনকি এর কিছু অংশ নেমে এসে বিমানের ককপিট বা উইন্ডশিল্ডে আঘাত করতে পারে, যেমন সম্প্রতি ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট UA1093–এর ঘটনায় দেখা গেছে। আবারও বোঝা গেল, স্পেস ডেবরিস শুধু মহাকাশ প্রযুক্তির জন্য ঝুঁকি নয়, এটি পৃথিবীর নিরাপদ বিমান চলাচলের জন্যও বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
(Social media brings you the latest breaking news, viral news from the world of social media including Twitter, Instagram and YouTube. The above post is embedded directly from the user's social media account. This body of content has not been edited or may not be edited by Latestly staff. Opinions appearing on social media posts and the facts do not reflect the opinions of Latestly, and Latestly assumes no responsibility for the same.)