Kailash Vijayvargiya: খাদ্যাভ্যাস দেখেই তিনি বুঝে যাচ্ছেন কারা বাংলাদেশি, সোশাল মিডিয়ায় ট্রোলড কৈলাস বিজয়বর্গীয়

খাদ্যাভ্যাস দেখেই তিনি বুঝে যাচ্ছেন কারা বাংলাদেশি। এমনই দাবি করে বিতর্কে বাড়ালেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয় (Kailash Vijayvargiya)। সম্প্রতি তাঁর বাড়িতে যে নির্মাণকাজ হয়েছে, তার শ্রমিকদের কয়েকজনকে তাঁর বাংলাদেশি বলে মনে হয়েছে। খাওয়ার 'অদ্ভুত' অভ্যেস দেখেই নাকি তিনি বুঝেছেন, ওই শ্রমিকরা বাংলাদেশি (Bangladeshi)। আর তারপরই সোশাল মিডিয়ায় ট্রোলড (trolled) হয়েছেন তিনি। নেটিজেনরা তাঁর দাবি নিয়ে জোর হাসি মসকরা করতে শুরু করেছে।

(Photo Credits: Twitter)

ইন্দোর, ২৪ জানুয়ারি: খাদ্যাভ্যাস দেখেই তিনি বুঝে যাচ্ছেন কারা বাংলাদেশি। এমনই দাবি করে বিতর্কে বাড়ালেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয় (Kailash Vijayvargiya)। সম্প্রতি তাঁর বাড়িতে যে নির্মাণকাজ হয়েছে, তার শ্রমিকদের কয়েকজনকে তাঁর বাংলাদেশি বলে মনে হয়েছে। খাওয়ার 'অদ্ভুত' অভ্যেস দেখেই নাকি তিনি বুঝেছেন, ওই শ্রমিকরা বাংলাদেশি (Bangladeshi)। আর তারপরই সোশাল মিডিয়ায় ট্রোলড (trolled) হয়েছেন তিনি। নেটিজেনরা তাঁর দাবি নিয়ে জোর হাসি মসকরা করতে শুরু করেছে।

গতকাল সিএএ-র (CAA) সমর্থনে যোগ দেওয়া এক সেমিনারে গিয়ে বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় তার বাড়িতে কাজ করতে আসা কয়েকজন শ্রমিককে (Workers) বাংলাদেশি বলে সম্বোধিত করলেন। তাদের খাবারকে 'অদ্ভুত' বলেও ব্যাখ্যা করলেন। তিনি বলেন, "বাড়িতে একটা নতুন ঘর তৈরি হচ্ছে। সেখানে কয়েকজন শ্রমিক আসে কাজ করতে। তারা একটা অদ্ভুত জিনিস খাচ্ছিল, চিঁড়ে। যা দিয়ে তৈরি হয় পোহা (Poha)।" ওই খাবার দেখে আমি ঠিকাদার এবং সুপারভাইজরের সঙ্গে কথা বলি। তাদের কাছে জানতে চাই শ্রমিকরা বাংলাদেশ থেকে এসেছেন কিনা।" সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করলে তিনি জানান,আমার খুবই সন্দেহ হচ্ছিল, মনে হচ্ছিল এরা বাংলাদেশ থেকে এসেছে। আমার সন্দেহ হওয়ার দুদিনের মধ্যেই তাঁরা আমার বাড়িতে কাজ করা বন্ধ করে দেয়। আমি এখনও পুলিশে কোনও অভিযোগ জানাইনি। মানুষকে সতর্ক করার জন্যই আমি এই ঘটনার উল্লেখ করছি। আরও পড়ুন: Kailash Vijayvargiya: 'চিঁড়ে' খাওয়ায় মিস্ত্রিদের বাংলাদেশি সন্দেহে বাড়ির কাজ বন্ধ করালেন বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়

বিজয়বর্গয়র এই বিবৃতি সামনে আসতেই টুইটারে খাদ্যাভাসের ভিত্তিতে শ্রমিকদের জাতি বিচার করার জন্য মন্ত্রীকে নিয়ে ট্রোলিং শুরু হয়। কেউ কেউ এও উল্লেখ করেন যে পোহা অনেকের কাছে প্রধান এবং সস্তার খাবার। এবং প্রায়ই দিন মজুররা এটি খায়, কারণ এটিই কেবল তাদের পক্ষে সামর্থ্য। অন্য অনেকে বলেন, পোহা বহু ভারতীয়ের ব্রেকফাস্টের খাবার। আর এটি অনেক মানুষ পছন্দ করেন। একজন লেখেন, আমার বাড়ির কাপড় কাচার লোক বার্গার খান। তবে কি তিনি অ্যামেরিকান? তেজু নামের এক টুইটার ব্যবহারকারী লেখেন, আমার বাবা রোজই পোহা খান। তবে কি তিনি বাংলাদেশি।

এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, "আমি জানতাম না যে আমি সারাজীবন ধরে বাংলাদেশি খাবার খাচ্ছি। পোহা মহারাষ্ট্রের অন্যতম প্রিয় ব্রেকফাস্ট। পোহা বিয়ের আগে খেতে হয়। রবিন্দর সিং নামে একজন লিখেছেন, "যদি পোহা না হয় তবে আপনি কি আশা করবেন যে শ্রমিকরা বাটার চিকেন সঙ্গে করে আনবেন?"

Share Now
Advertisement


Advertisement
Share Now
Advertisement