Tea : ঘন ঘন চায়ে চুমুক? উপকার না অপকার করছেন শরীরের দেখুন

আমরা যা খাই বা পান করি তা আমাদের স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে। তাহলে কি চিনি (Sugar), ভাঁজা খাবার, চা (Tea), কফি এগুলো আমাদের স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে বাধা সৃষ্টি করে ?

কলকাতা :  আমরা যা খাই বা পান করি তা আমাদের স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে। তাহলে কি চিনি (Sugar), ভাঁজা খাবার, চা (Tea), কফি এগুলো আমাদের স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে বাধা সৃষ্টি করে ? অনেকেই রয়েছেন যারা প্রতিদিন সকালে চা বা কফিতে চুমক না দিয়ে দিন শুরু করতে পারেন না।ডায়েটিশিয়ান ম্যাক সিং জানিয়েছেন, চা ওজন কমাতে সাহায্য করে!  কারণ হিসেবে তিনি ব্যখ্যা দেন, চায়ে উচ্চ মাত্রার যৌগ রয়েছে যা চর্বির পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। পাশাপশি কোলেস্টেরল কমাতেও সাহায্য করে। তবে দুধ চায়ে তা হয় না, কারণ দুধে উপস্থিত প্রোটিনগুলি চায়ের চর্বি শোষণের ক্ষমতাকে বাধা দেয়। সিং আরও জানান, চায়ের সঙ্গে জে চিনি খাওয়া হয় তা মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়। আবার অনেকেই আছেন যারা স্নাক্স ছাড়া চা খেতেই পারেন না, ভাজা-পোড়া স্ন্যাকস স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

তাহলে কি চা খাওয়া বন্ধ করা উচিত?

সিং জানিয়েছেন, চা খাওয়া যেতে পারে তবে চিনি ছাড়া। সামান্য দুধ, এবং আদা, দারুচিনি বা এলাচের মতো বিভিন্ন মশলা যুক্ত করতে পারেন। বিস্কুট ও নমকিনের মতো স্ন্যাকস খাওয়া এড়িয়ে চলুন, এর পরিবর্তে কিছু পুষ্টিকর স্ন্যাকস যেমন বাদাম, আখরোট ইত্যাদি খান। সিং আরও বলেন, চা অ্যাসিডিটি, অ্যাসিড রিফ্লাক্স এবং ফোলাভাব সৃষ্টি করে। তাই এটি পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত। এছাড়াও ঘুমতে যাওয়ার আগে চা পান করা যাবে না, এতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটবে।

গোদরেজ মেমোরিয়াল হসপিটাল মুম্বইয়ের ডায়েটিশিয়ান যোগিতা চ্যাবন জানিয়েছেন, একটি ছোট কাপে দিনে ১ -২ বার, ৫০ মিলি দুধ এবং ১ /২ – ১ চা চামচ চিনি মিশিয়ে চা পান করা যেতে পারে। তবে বেশি মাত্রায় চা খাওয়া স্বাস্থ্যকর নয়, এতে ওজন বৃদ্ধি ও অন্যান্য সমস্যার সম্ভবনা থাকে।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Share Now
Advertisement