Effect of not enough sleep: ঘুম কম হয়? ঠিক মতো না ঘুমালে কি সমস্যা হবে দেখুন বিস্তারিত

প্রতিদিন রাতের শান্ত নিস্তব্ধ সময়ে যখন আমরা গভীর ঘুমে মধ্যে চলে যাই, তখন আমাদের সারা শরীর নতুন করে উজ্জীবন হয়। কিন্তু যদি টানা তিন দিন মাত্র ৪ ঘণ্টা ঘুম হয়, তাহলে সেটা শুধু চোখের নিচে কালো দাগ বা ক্লান্তির ছাপ ফেলে।

ঘুম আমাদের জীবনের একটি অপরিহার্য বিষয়। এটি শরীর ও মনের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে এক বিশেষ ভূমিকা রাখে। প্রতিদিন রাতের শান্ত নিস্তব্ধ সময়ে যখন আমরা গভীর ঘুমে মধ্যে চলে যাই, তখন আমাদের সারা শরীর নতুন করে উজ্জীবন হয়। কিন্তু যদি টানা তিন দিন মাত্র ৪ ঘণ্টা ঘুম হয়, তাহলে সেটা শুধু চোখের নিচে কালো দাগ বা ক্লান্তির ছাপ ফেলে, স্বাস্থ্যজনিত ঝুঁকি নিয়ে আসে।

কম ঘুম হার্ট ও রক্তচাপের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। ঘুমের সময় আমাদের হার্ট ও রক্তনালী স্বাভাবিক চাপ ফিরে পায়, যা হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। তবে যখন প্রতিদিন মাত্র ৪ ঘণ্টা ঘুম হয়, তখন শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ব্যাঘাত ঘটে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা হ্রাস পায়। দীর্ঘমেয়াদে এ ধরনের ক্ষতি হৃদরোগের সম্ভাবনাকেও দ্বিগুণ করে দিতে পারে।

ঘুমের অভাব শরীরের হরমোনাল ভারসাম্যকে বিঘ্নিত করে। পর্যাপ্ত ঘুম পেলে আমাদের শরীরে ইনসুলিন, করটিসল ও গ্রোথ হরমোন ঠিকঠাক নিঃসৃত হয়। কিন্তু টানা তিন দিন যদি কম ঘুম হয়, তাহলে ইনসুলিন প্রতিরোধ বাড়ে এবং ফলস্বরূপ টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

পর্যাপ্ত ঘুম না হলে আমরা চুঁচিয়ে উঠতে থাকি, মানসিক চাপ বৃদ্ধি পায় এবং আবেগ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলি। মস্তিষ্ক সঠিক বিশ্রাম না পেলে শেখার, চিন্তা করার এবং স্মৃতি ধরে রাখার ক্ষমতার ওপর দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতিকর প্রভাব পড়

কম ঘুম আমাদের সামগ্রিক কর্মক্ষমতাকেও প্রভাবিত করে। অফিসের কাজে মনোযোগের অভাব, দৃষ্টিশক্তির হ্রাস এবং সৃজনশীলতার ফাঁক তৈরি হয়।

প্রতিদিন অন্তত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টার ঘুম শরীরের প্রতিরক্ষা, মানসিক প্রশান্তি ও দৈনন্দিন কর্মক্ষমতার জন্য অপরিহার্য। যদি আপনি দেখতে পান যে, কয়েক দিনের মধ্যে ঘুমের ঘাটতি আপনার শরীর ও মনের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে, তাহলে কখনও একটু বিরতি নিন এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement