Plane Engine Fuel Switches: এক সপ্তাহের মধ্যে দেশের সব বিমানের ইঞ্জিন ফুয়েল সুইচ পরীক্ষা শেষ করার নির্দেশ
আমেদাবাদে বিমান বিপর্যয় থেকে শিক্ষা। ভারতের বিমানসংস্থাগুলিতে আগামী ২১ জুলাইয়ের মধ্যে দেশের সব বিমানের ইঞ্জিন ফুয়েল সুইচ পরিদর্শন শেষ করার নির্দেশ দিল ডিজিসিএ। আমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানের ভেঙে পড়ার পিছনে প্রাথমিক তদন্তে বিমানের ইঞ্জিন সুইচ বন্ধের কথা উঠে এসেছে।
Plane Engine Fuel Switches: আমেদাবাদে বিমান বিপর্যয় (Ahmedabad Plane Crash) থেকে শিক্ষা। ভারতের বিমানসংস্থাগুলিতে আগামী ২১ জুলাইয়ের মধ্যে দেশের সব বিমানের ইঞ্জিন ফুয়েল সুইচ পরিদর্শন শেষ করার নির্দেশ দিল ডিজিসিএ (DGCA)। আমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানের (Air India Plane Crash) ভেঙে পড়ার পিছনে প্রাথমিক তদন্তে বিমানের ইঞ্জিন সুইচ বন্ধের কথা উঠে এসেছে। সেই ইঞ্জিন সুইচ অফের বিষয়টি পাইলটের ভুল ছাড়াও বিমানটির যান্ত্রিক ত্রুটিও হয়ে থাকতে পারে। তাই এই বিষয়টি য়াতে ফের না হয় সেই ব্যাপারে নড়চড়ে বসল দেশের বানিজ্য়িক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা (DGCA)। এই ফুয়েল সুইচ পরিদর্শনের পাশাপাশি ডিজিসিএ জানিয়েছে, বিমান, ইঞ্জিন ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশের ক্ষেত্রেও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নির্দেশিকা মেনে কিছু বাধ্যতামূলক সংশোধনী আনতে হবে।
আলোচনার কেন্দ্রে এখন বিমানের জ্বালীন নিয়ন্ত্রক সুইচ
এই নির্দেশগুলি মূলত বিমান প্রস্তুতকারক দেশের এয়ারওয়ার্দিনেস অ্যাডভাইসরি-র উপর ভিত্তি করে তৈরি। ফুয়েল কন্ট্রোল সুইচের ভূমিকা এখন তদন্তের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। সব কিছু পরিষ্কার হবে বছরখানেকের মধ্য়ে শেষ হতে চলা আমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান দুর্ঘটনার চূড়ান্ত তদন্ত রিপোর্ট সামনে আসার পর।
দেখুন কীভাবে কাজ করে বিমানের ইঞ্জিন জ্বালানীর সুইচ
ইঞ্জিনের জ্বালানী সুইচ বন্ধ নিয়ে এয়ার ইন্ডিয়ার দুই পাইলটের মধ্য়ে কী কথা হয়
গত ১২ জুন আমেদাবাদের বিমানবন্দরে থেকে টেক অফের ৩২ সেকেন্ড পরেই ভেঙে পড়েছিল লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ড্রিমলাইনার এআই-১৭১ বিমান। আমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনায় প্রাথমিক তদন্তে দাবি করা হয়, বিমানটি ভেঙে পড়ার সম্ভাব্য কারণ ছিল পাইলটের ইঞ্জিন ফুয়েল কন্ট্রোল সুইচের ভুল ব্যবহার। ব্ল্যাক বক্স রেকর্ডে ধরা পড়ে, ককপিটের ভিতর থেকে বিমানটি ভেঙে পড়ার ঠিক আগে এক পাইলট অপর এক পাইলটকে জিজ্ঞাসা করছেন, কেন তুমি ইঞ্জিনের ফুয়েল বা জ্বালানী বন্ধ করলে?” জবাবে অন্য পাইলট বলেছিলেন, “আমি করিনি।”
আমেদাবাদে দুর্ঘটনা হওয়া সেই বিমানের টেক অফের পরের ছবি
আমেদাবাদের মেঘানিনগরে ভেঙে পড়েছিল বিমানটি
বিমানটির ক্যাপ্টেন সুমিত সবরওয়াল না ফার্স্ট অফিসার ক্লাইভ কুন্দর কে কোন কথাটি বলেছিলেন, তাও জানা যায়নি। তারপরেই গুজরাতের আমেদাবাদে মেঘানিনগর এলাকায় একটি আবাসিক এলাকায় ২৪২ জন যাত্রী থাকা এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি ভেঙে পড়েছিল। টেক অফের মাত্র ৩২ সেকেন্ড পর বিমানটি বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে। বিমানটি পাইলট, ক্রু সহ মোট ২৪১ জন ও মাটিতে ভেঙে পড়ার পর আরও ২০ জন মারা যান।