Supreme Court: ‘স্তন চেপে ধরা ধর্ষণের চেষ্টা নয়’ এলাহাবাদ হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণকে ‘অসংবেদনশীল’ বলল সুপ্রিম কোর্ট
, গোটা ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করে ধারা কমিয়ে ঘটনাটিকে ধর্ষণের চেষ্টার বদলে যৌন হেনস্থা বলে উল্লেখ করে এলাহাবাদ হাইকোর্ট। এরপরই শুরু হয় বিতর্ক।
নয়াদিল্লিঃ ‘স্তন চেপে ধরা ধর্ষণের চেষ্টা নয়’ সম্প্রতি একটি মামলার রায়দানে এই পর্যবেক্ষণ করেছিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট(Allahabad High Court)। আদালতের এই মন্তব্যে ওঠে বিতর্কের ঝড়। আর এই বিতর্কের জেরে এই মামলায় স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে হস্তক্ষেপ করেছিল সুপ্রিম কোর্ট(Supreme Court)। বুধবার স্বতঃপ্রণোদিত সেই মামলার শুনানিতে বিতর্কিত ওই পর্যবেক্ষণে স্থগিতাদেশ দিল শীর্ষ আদালত। সেই সঙ্গেই এলাহাবাদ হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণকে ‘অসংবেদনশীল’ বলে উল্লেখ করেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি। এদিন বিচারপতি বিআর গাভাই এবং বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মাসিহ-র ডিভিশন বেঞ্চে ওই স্বতঃপ্রণোদিত মামলার শুনানি হয়।
'স্তন চেপে ধরা ধর্ষণের চেষ্টা নয়' আদালতের এমন মন্তব্য 'অসংবেদনশীল': সুপ্রিম কোর্ট
শুনানিকালে বিচারপতি বলেন," আমরা অত্যন্ত দুঃখিত যে রায়দানকারীর সংবেদনশীলতার অভাব প্রকাশ করেছে। ৪ মাস পর রায়দান করা হয়েছে, ফলে বিচারের জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া গিয়েছে। সাধারণত মামলার এই স্তরে এসে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয় না। কিন্তু যেহেতু এই মামলার রায়ে ২১, ২৪ ও ২৬ অধ্যায়ে মানবিকতার অভাব ও আইনকে যথার্থ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি, তাই আমরা স্থগিতাদেশ দিচ্ছি।" প্রসঙ্গত, উত্তর প্রদেশে এক নাবালিকাকে নাবালিকাকে ব্রিজের নীচে টেনে নিয়ে গিয়ে, জামা-কাপড় ছিঁড়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেছিল একদল যুবক। নির্যাতিতাকে রক্ষা উদ্ধার করেন পথচলতি মানুষেরা। এরপরই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। সেই মামলার রায়দানে এলাহাবাদ কোর্ট জানায়, 'স্তনে হাত দেওয়া ধর্ষণের চেষ্টা নয়।' শুধু তাই নয়, গোটা ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করে ধারা কমিয়ে ঘটনাটিকে ধর্ষণের চেষ্টার বদলে যৌন হেনস্থা বলে উল্লেখ করে এলাহাবাদ হাইকোর্ট। এরপরই শুরু হয় বিতর্ক।
এলাহাবাদ হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণকে ‘অসংবেদনশীল’ বলল সুপ্রিম কোর্ট