Supreme Court EPFO Data Misuse: প্রভিডেন্ট ফান্ড ও প্যান কার্ড নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টের! কেন্দ্রকে কড়া নির্দেশ
ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা নিয়ে এবার বড় পদক্ষেপ সর্বোচ্চ আদালতের। প্রভিডেন্ট ফান্ড (EPFO) এবং আয়কর রিটার্নের (ITR) মতো সংবেদনশীল সরকারি তথ্য বেসরকারি সংস্থাগুলির হাতে পৌঁছে যাওয়া এবং তা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট।
Supreme Court EPFO Data Misuse: ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা নিয়ে এবার বড় পদক্ষেপ সর্বোচ্চ আদালতের। প্রভিডেন্ট ফান্ড (EPFO) এবং আয়কর রিটার্নের (ITR) মতো সংবেদনশীল সরকারি তথ্য বেসরকারি সংস্থাগুলির হাতে পৌঁছে যাওয়া এবং তা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ নথির অপব্যবহার রুখতে কেন্দ্রকে বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নিয়ে কার্যকর ব্যবস্থা ও সুরক্ষা কবচ তৈরির নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।
কী জানাল আদালত
ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনিয়ার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ সোমবার একটি জনস্বার্থ আবেদনের (PIL) শুনানিতে এই পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। আদালতে দায়ের করা পিআইএল-এ অভিযোগ করা হয় যে, একটি বেআইনি বাণিজ্যিক প্রযুক্তি ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে, যা নাগরিকদের প্রভিডেন্ট ফান্ড এবং আয়করের সংবেদনশীল তথ্য অ্যাক্সেস ও যাচাই করছে।
আর কী বলল আদালত
জনস্বার্থ আবেদনকারী পিযূষ ছাবড়া আদালতের কাছে জানান, কেবল প্যান (PAN) এবং ইউএএন (UAN) নম্বর দিয়ে বেসরকারি ভেরিফিকেশন পোর্টালে সার্চ করলেই একজন ব্যক্তির চাকরির পুরো ইতিহাস দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় কোনও ওটিপি (OTP), কর্মীর স্পষ্ট সম্মতি কিংবা যথাযথ নিরাপত্তার প্রয়োজন হচ্ছে না।
মূল অভিযোগ ও সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ:
বাণিজ্যিক অপব্যবহার: পিএফ (EPFO) ও আয়করের মতো সংবেদনশীল তথ্য বেসরকারি সংস্থাগুলি কর্মী নিয়োগের ব্যাকগ্রাউন্ড ভেরিফিকেশন, 'মুনলাইটিং' বা একই সঙ্গে দুটি চাকরি ধরা এবং কর্মীদের প্রোফাইলিংয়ের কাজে বাণিজ্যিক স্বার্থে ব্যবহার করছে।
সার্বভৌম তথ্যের নিরাপত্তা: আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে সাধারণ নাগরিকরা সরকারকে যেসব ব্যক্তিগত তথ্য দিচ্ছেন, তা বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে পৌঁছে যাওয়াকে "উদ্বেগজনক" বলে বর্ণনা করেছেন প্রধান বিচারপতি।
ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ: বিষয়টি মূলত সরকারি নীতি নির্ধারণের আওতাভুক্ত হওয়ায় আদালত সরাসরি কোনও রায় না দিয়ে, কেন্দ্রকে ৪ মাসের মধ্যে আবেদনকারীর অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
সরকারি প্রতিষ্ঠানে জমা রাখা আমজনতার গোপন তথ্য যাতে বেসরকারি সংস্থায় বেহাত না হয়, তা নিশ্চিত করতে ডোমেন বিশেষজ্ঞদের সাহায্যে শিগগিরই উপযুক্ত নীতি তৈরি করার সুপারিশ করেছে শীর্ষ আদালত।