Akhilesh Yadav's Facebook Account: অখিলেশ যাদবের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড, কণ্ঠরোধ করতে বিজেপির চক্রান্তের অভিযোগ সমাজবাদী পার্টির

গতকাল, সন্ধ্যা ৬টা থেকেই উত্তর প্রদেশের প্রধান বিরোধী দল সমাজবাদী পার্টি (SP)-র সভাপতি অখিলেশ যাদবের সরকারি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট আচমকা সন্ধ্যা ছ’টা নাগাদ সাসপেন্ড হয়ে যায়।

Akhilesh Yadav (Photo Credits: ANI)

Akhilesh Yadav's Facebook Account: যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন ঝড়। উত্তরপ্রদেশের বিরোধী দলনেতা অখিলেশ যাদবের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হয়ে গেল। যোগী সরকারের নানা ব্যর্থতার কথা অখিলেশের ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে দেশও রাজ্যবাসী জানতে পারে। গতকাল, সন্ধ্যা ৬টা থেকেই উত্তর প্রদেশের প্রধান বিরোধী দল সমাজবাদী পার্টি (SP)-র সভাপতি অখিলেশ যাদবের সরকারি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট আচমকা সন্ধ্যা ছ’টা নাগাদ সাসপেন্ড হয়ে যায়। প্রায় ৮০ লক্ষ ফলোয়ার থাকা অখিলেশের এই FB অ্যাকাউন্টটি কোনও পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। সপা নেতাদের অভিযোগ, এটা বিজেপির ডবল ইঞ্জিন সরকারের চক্রান্ত। বিরোধী কণ্ঠস্বর বন্ধ করতেই বিজেপি অখিলেশের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করেছে বলে তাদের অভিযোগ। অভিযোগ অস্বীকার করেছে পদ্মশিবির।

সমজাদবাদী পার্টির দলের মুখপাত্র পবন পাণ্ডে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্য়াটফর্ম এক্স-এ লেখেন,"অখিলেশের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করে দেশের গণতন্ত্র ও কোটি মানুষের কণ্ঠরোধের চেষ্টা।" তিনি দাবি করেন, এই সিদ্ধান্ত বিনা কোনও নোটিস বা ব্যাখ্যা ছাড়াই নেওয়া হয়েছে, যা গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে এক নগ্ন আঘাত। অখিলেশ যাদবের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা মানে গণতন্ত্রে সরাসরি আক্রমণ। যদি দ্রুত অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার না হলে আইনি পথে হাঁটবে, এমন হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন সপা নেতা। অখিলেশের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড ইস্যুতে বিজেপি মুখপাত্রদের বক্তব্য, “এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। নির্বাচনের আগে এসপি নাটক সাজাচ্ছে।" তাঁদের দাবি, "এর সঙ্গে সরকারের কোনও সম্পর্ক নেই।"

অখিলেশের ফেসবুক বন্ধে যোগী সরকারের চক্রান্ত দেখছে সপা

সমাজবাদী পার্টির-র পক্ষে থেকে ফকরুন চাঁদ আরও এক ধাপ এগিয়ে অভিযোগ করেন,"যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারই এই ঘটনার পেছনে রয়েছে।"তাঁর ভাষায়, এটি "এক ঘোষণাবিহীন জরুরি অবস্থা”, যার উদ্দেশ্য বিরোধীদের কণ্ঠস্বর থামিয়ে দেওয়া। এই ফেসবুক পেজটি শুধু একটি অ্যাকাউন্ট নয়, বরং কোটি মানুষের কণ্ঠস্বর। এরকমভাবেই। এখান থেকেই অখিলেশ নীতি, রাজনৈতিক বার্তা ও বিজেপির বিরুদ্ধে সমালোচনা প্রচার করতেন। এদিকে, ফেসবুক (Meta)-এর পক্ষ থেকে এখনও কোনও সরকারি কারণ বা ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। প্রযুক্তিগত ত্রুটি, নীতিভঙ্গ, নাকি রাজনৈতিক চাপ সবই এখন জল্পনার বিষয়।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement