Putin Arrives in Delhi: ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে দিল্লিতে এলেন ভ্লাদিমির পুতিন, আজই বৈঠক মোদীর সঙ্গে
আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর আয়োজিত এই হাই-প্রোফাইল সম্মেলনে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি আজই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন তিনি। দিল্লির বিমানবন্দরে পুতিনকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী কে ভি সিং।
Putin Arrives in Delhi : ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে (BRICS Summit) যোগ দিতে শুক্রবার ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে এসে পৌঁছালেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর আয়োজিত এই হাই-প্রোফাইল সম্মেলনে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি আজই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন তিনি। দিল্লির বিমানবন্দরে পুতিনকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী কে ভি সিং। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানিয়ে লেখেন, "ভারতের বিশেষ কৌশলগত অংশীদার দেশ রাশিয়ার রাষ্ট্রপতিকে আন্তরিক স্বাগত।"
মোদী-পুতিন মেগা বৈঠক ও সম্ভাব্য অ্যাজেন্ডা
গত সপ্তাহে বিশকেকে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (SCO) শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে বৈঠক করেছিলেন মোদী ও পুতিন। তার পর পর আবারও এই দুই রাষ্ট্রপ্রধান মুখোমুখি হচ্ছেন। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেশকভ জানিয়েছেন, আজকের বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পর্যালোচনা ছাড়াও সাম্প্রতিক বৈশ্বিক নানা ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে। বিশেষ করে, বিগত কয়েক বছর ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মোদীকে অবহিত করবেন পুতিন।
উল্লেখ্য, বিশকেকের বৈঠকে মোদী পুতিনকে ইউক্রেন সংঘাত প্রসঙ্গে বার্তা দিয়ে বলেছিলেন, "আমাদের 'অবিরাম যুদ্ধ' থেকে 'যুদ্ধের সমাপ্তি'র দিকে এগোতে হবে। দ্রুত যেন এই যুদ্ধের অবসান ঘটে, এটাই বিশ্ব মানবতার একমাত্র চাওয়া।"এ ছাড়া আজকের আলোচনায় ভারত-রাশিয়া প্রতিরক্ষা সহযোগিতা অন্যতম মূল অ্যাজেন্ডা হিসেবে স্থান পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। যৌথ প্রতিরক্ষা প্রকল্পগুলো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
ভারত ও ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন
২০২৬ সালের ব্রিকস চেয়ারম্যান হিসেবে ভারত ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে এই আন্তর্জাতিক শীর্ষ সম্মেলন আয়োজন করছে। এতে ব্রিকস সদস্য ও সহযোগী দেশগুলোর বিশ্বনেতারা এক ছাদের নিচে জড়ো হচ্ছেন। বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সদস্য দেশগুলোর নিজেদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে মতামত আদান-প্রদান করাই এই সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য।