Pahalgam Terrorist Attack: 'অভিশপ্ত' হানিমুন, বিয়ের ৬ দিনের মাথায় পহেলগাম থেকে ফিরল নৌসেনা অফিসার বিজয় নারওয়ালের দেহ, অঝোরে কান্না স্ত্রীর দেখুন

গত ১৬ এপ্রিল বিয়ে হয় ভারতীয় নৌসেনার লেফটেন্যান্ট বিজয় নারওয়ালের। বিয়ের পর স্ত্রীকে নিয়ে কাশ্মীরে হানিমুনে যান বিজয় নারওয়াল। জানা যায়, হানিমুনের জন্য প্রথমে তাঁদের ইউরোপে যাওয়ার কথা ছিল। তবে ভিসা সংক্রান্ত কিছু সমস্যা হওয়ায় বিজয় নারওয়াল স্ত্রীকে নিয়ে কাশ্মীরের উদ্দেশে রওনা দেন।

Vijay Narwal's Wife Cries (Photo Credit: ANI/X)

দিল্লি, ২৩ এপ্রিল: নৌসেনা অফিসার বিজয় নারওয়ালকে  (Indian Navy Lieutenant Vinay Narwal) গুলিতে ঝাঁঝরা করে দিয়েছে জঙ্গিরা। নৌসেনা লেফটেন্যান্ট বিজয় নারওয়ালের দেহ শ্রীনগর থেকে বুধবার দিল্লিতে নিয়ে আসা হয়। সেখানেই বিজয় নারওয়ালকে শেষ শ্রদ্ধা জানান তাঁর স্ত্রী। বিজয় নারওয়ালকে শেষ বিদায় জানাতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তাঁর স্ত্রী। স্বামীর মৃতদেহ সামনে নিয়ে অঝোরে কাঁদতে দেখা যায় বিজয় নারওয়ালের সদ্য বিবাহিত স্ত্রীকে। কোনওভাবে যেন তাঁকে থামানো যাচ্ছিল না। নৌসেনা অফিসার বিজয় নারওয়ালের দেহ দিল্লি বিমানবন্দরে (Delhi Airport) প্রথমে আনা হয়। তারপর নৌসেনার তরফে তাঁকে শেষ বিদায় জানানো হয়।

আরও পড়ুন: Pahamgam Terrorist Attack: 'বিশ্ব জুড়ে সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলা করতে বদ্ধপরিকর', পহেলগাম হামলার পর কড়া নিন্দা বাংলাদেশের

স্বামীকে শেষ বিদায় জানাতে গিয়ে তাঁর স্ত্রী বলেন, বিজয় নারওয়ালের আত্মা যেন শান্তি পায়। বিজয় যেন নতুন জীবনে শান্তি পান বলে অঝোরে কাঁদতে দেখা যায় তাঁর স্ত্রীকে।

স্বামীর মৃতদেহের সামনে অঝোরে কেঁদে যান বিজয় নারওয়ালের স্ত্রী...

 

গত ১৬ এপ্রিল বিয়ে হয় ভারতীয় নৌসেনার লেফটেন্যান্ট বিজয় নারওয়ালের। বিয়ের পর স্ত্রীকে নিয়ে কাশ্মীরে (Pahalgam Terrorist Attack) হানিমুনে যান বিজয় নারওয়াল। জানা যায়, হানিমুনের জন্য প্রথমে তাঁদের ইউরোপে যাওয়ার কথা ছিল। তবে ভিসা সংক্রান্ত কিছু সমস্যা হওয়ায় বিজয় নারওয়াল স্ত্রীকে নিয়ে কাশ্মীরের উদ্দেশে রওনা দেন। হানিমুনে পহেলগামেই ছিলেন হরিয়ানার বাসিন্দা বিজয় নারওয়াল এবং তাঁর সদ্য বিবাহিত স্ত্রী। আর সেখানেই পাকিস্তানি জঙ্গিদের গুলি কার্যত এফোঁড় ওফোঁড় করে দেয় বিজয় নারওয়ালের দেহ।

মঙ্গলবার দুপুরে পহেলগামের বৈসরণে হামলা চালায় জঙ্গিদের একটি দল। সেনার পোশাক পরে নির্বিচারে গুলি চালানো হয়। যার জেরে পরপর ২৬ জনের মৃত্যু হয়। নাম, পরিচয় জিজ্ঞাসা করে তবেই জঙ্গিরা গুলি চালিয়ে নির্বিচারে হত্যা করে সাধারণ পর্যটকদের।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement