Waqf Amendment Bill Updates: রাত ২ টোয় সংসদে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাশ, পক্ষে-বিপক্ষে কত ভোট পড়ল জেনে নিন
'পূর্ববর্তী শাসক দলগুলির আমলে কি এই সম্পত্তিগুলি সত্যিই কখনও মুসলমানদের সুবিধার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে?'
নয়াদিল্লি: বৃহস্পতিবার লোকসভায় ওয়াকফ সংশোধনী বিল ২০২৫ (Waqf Amendment Bill 2025) পাশ হয়েছে। সংসদে বিলটি আলোচনার সময়য় সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু (Kiren Rijiju) বলেন, বিলটি মুসলিম (Muslim) সম্প্রদায়ের স্বার্থে। এই গুরুত্বপূর্ণ বিলটি পাস করার জন্য, সংসদে সভা রাত প্রায় ২টা পর্যন্ত চলে। কিরেন রিজিজু ওয়াকফ (সংশোধনী) বিল ২০২৫ পাশ করার জন্য প্রস্তাব উত্থাপন করলে কিছু বিরোধী সদস্য ভোট বিভাজনের দাবি জানান। বিলটির পক্ষে ২৮৮টি এবং বিপক্ষে ২৩২টি ভোট পড়ে। বিলটির উপর ভোটাভুটির সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী লোকসভায় উপস্থিত ছিলেন না। বিরোধীদের দাবি বিলটি ওয়াকফ বোর্ডের স্বায়ত্তশাসনে হস্তক্ষেপ করবে এবং মুসলমানদের ধর্মীয় বিষয়ে সরকারি হস্তক্ষেপ হবে।
সংসদে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাশ
শাসক দলের সাংসদরা বিলটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সংস্কারমূলক পদক্ষেপ বলে বর্ণনা করেন এবং বলেন যে এটি ভারতীয় মুসলমানদের স্বার্থে। সরকার দাবি করেছে যে এই বিলটি ওয়াকফ সম্পত্তির ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা বৃদ্ধি করবে, যার ফলে ওয়াকফ সম্পত্তির আরও ভাল ব্যবহার হবে এবং এর অপব্যবহার রোধ করা যাবে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Union Home Minister Amit Shah) জানান, এই বিলের দ্বারা কারও কোনও ক্ষতি হবে না। তিনি আরও বলেন, যে এই বিল ‘কোটি কোটি মুসলিম নারী ও শিশুকে উপকৃত করবে।’
ওয়াকফ সংশোধনী বিল ২০২৫ সম্পর্কে অল ইন্ডিয়া ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের (All India Imam Association) সভাপতি মাওলানা সাজিদ রশিদি বলেন, ‘আমিও ওয়াকফ বিলের বিরোধিতা করি, তবে বিরোধী দল এবং মুসলিম সংগঠনগুলির কাছে আমার কিছু প্রশ্ন আছে, যারা এটি নিয়ে ব্যাপক হৈচৈ করছে। আগেও ওয়াকফ সম্পত্তি সরকারের কাছে ছিল, প্রশ্ন হল, পূর্ববর্তী শাসক দলগুলির আমলে কি এই সম্পত্তিগুলি সত্যিই কখনও মুসলমানদের সুবিধার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে?'
অল ইন্ডিয়া ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাওলানা সাজিদ রশিদি কি বললেন দেখুন
বিলটি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অল ইন্ডিয়া সুফি সাজ্জাদানশীন কাউন্সিলের সভাপতি সৈয়দ নাসিরুদ্দিন চিশতি। তিনি বলেন, এটি ভারতীয় গণতন্ত্রের জয় এবং বিলটি অত্যন্ত গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আনা হয় এবং আলোচনার পর বিলটি পাস হয়েছে।
(Social media brings you the latest breaking news, viral news from the world of social media including Twitter, Instagram and YouTube. The above post is embedded directly from the user's social media account. This body of content has not been edited or may not be edited by Latestly staff. Opinions appearing on social media posts and the facts do not reflect the opinions of Latestly, and Latestly assumes no responsibility for the same.)