Post Covid illness MIC-S: করোনার নতুন ঝুঁকি এমআইসি-এস নতুন করে ভয় ধরাচ্ছে, নজরে শিশুরা
প্রথম এমআইএস-সির আক্রান্ত রোগী চিহ্নিত করা হয়েছিল ২০২০ সালে যুক্তরাজ্যে। যার কিছু মাস পরেই বিশ্বজুড়ে করোনার ঢেউ আছড়ে পড়েছিল।
মুম্বই, ৮ ফেব্রুয়ারিঃ মারণ ভাইরাস কোভিড (Covid 19) নিয়ে ভারত অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় অনেক বেশি তৎপর। করোনা বিধিনিষেধ থেকে শুরু করে কোভিডের টিকাকরণ সকল কিছুতেই নজর দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। আরও একবার করোনার ঢেউ যাতে দেশে আছড়ে না পড়ে তাঁর জন্যে সম্ভাব্য সমস্ত কিছুই তত্ত্বাবধানে রেখা হয়েছে। করোনার ঝুঁকি দেশে বেশ কিছুটা কমলেও কোভিড পরবর্তী অসুস্থতার ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে। কোভিড পরবর্তী অসুস্থতা এমআইএস-সি (মাল্টিসিস্টেম ইনফ্ল্যামেটরি সিনড্রম/MIC-S) বেশি সংক্রমিত হচ্ছে শিশুদের মধ্যে।
মুম্বইয়ে গত ২ মাসে কোভিড পরবর্তী অসুস্থতা এমআইএস-সি (মাল্টিসিস্টেম ইনফ্ল্যামেটরি সিনড্রম/MIC-S) আক্রান্ত হয়েছে ৫ জন শিশু। যাদের মধ্যে একজন সদ্যজাত শিশু। সঠিক সময়ে যদি এই রোগে ধরা না পড়ে কিংবা রোগীর উপযুক্ত চিকিৎসা না হয় তাহলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। এমআইএস-সি (MIC-S)র উপসর্গ বলতে প্রাথমিকভাবে রোগীর জ্বর এবং গায়ে র্যাশ বের হয়। চিকিৎসক যদি সঠিক সময়ে রোগ সনাক্ত না করতে পারে তাহলে শিশুর জীবন ঝুঁকি থেকে যায়।
মাল্টিসিস্টেম ইনফ্ল্যামেটরি সিনড্রম কী?
এই রোগ খুবই বিরল। কিন্তু এর যোগ রয়েছে করোনা ভাইরাসের (Corona Virus) সঙ্গে। এমআইএস-সি (মাল্টিসিস্টেম ইনফ্ল্যামেটরি সিনড্রম/MIC-S) রোগীর হার্ট, কিডনি, ফুসফুস, ব্রেন, তক, চোখকে গুরুতর ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে দিতে সক্ষম। তবে কেবল শিশুরা নয় একই ভাবে এমআইএস-সির ঝুঁকি প্রাপ্ত বয়স্কদেরও মধ্যেও রয়েছে।
প্রথম এমআইএস-সির আক্রান্ত রোগী চিহ্নিত করা হয়েছিল ২০২০ সালে যুক্তরাজ্যে। যার কিছু মাস পরেই বিশ্বজুড়ে করোনার ঢেউ আছড়ে পড়েছিল।
(Social media brings you the latest breaking news, viral news from the world of social media including Twitter, Instagram and YouTube. The above post is embedded directly from the user's social media account. This body of content has not been edited or may not be edited by Latestly staff. Opinions appearing on social media posts and the facts do not reflect the opinions of Latestly, and Latestly assumes no responsibility for the same.)