Air India Plane Crash: আমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ক্যাপ্টেন সুমিতের দেহ পৌঁছল বাড়িতে, চোখের জলে ছেলেকে চিরবিদায় জানালেন বৃদ্ধ বাবা
ইতিমধ্যেই উদ্ধার হয়েছে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের ব্ল্যাক বক্স ও ভয়েস রেকর্ডার। এগুলি খতিয়ে দেখার কাজ চলছে।
নয়াদিল্লিঃ দুর্ঘটনার পাঁচদিন পর পোয়াইয়ের বাড়িতে এল এয়ার ইন্ডিনার (Air India) দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের (Flight) চালক ক্যাপ্টেন সুমিত সাবরওয়ালের (Captain Sumeet Sabharwal)দেহ। চোখের জলে ছেলেকে বিদায় জানালেন বৃদ্ধ বাবা। ৮২ বছর বয়সে ছেলেকে হারিয়ে স্বাভাবিকভাবে ভেঙে পড়েছেন বাবা। এদিন পোয়াইয়ের বাড়িতে সুমিতকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে হাজির হয়েছিলেন বহু মানুষ। এয়ার ইন্ডিয়ার অভিজ্ঞ ক্যাপ্টেনদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন সুমিত। । ড্রিমলাইনার বিমান ওড়ানোর ক্ষেত্রে তাঁর দক্ষতা সবসময়ই প্রশংসার দাবি রাখত বলেই জানিয়েছেন তাঁর সহকর্মীরা। প্রায় ৮২০০ ঘণ্টা উড়ান চালানোর অভিজ্ঞতা ছিল ৫৬ বছরের ক্যাপ্টেনের।
বাড়িতে পৌঁছল ক্যাপ্টেন সুমিতের নিথর দেহ
বৃহস্পতিবার আমেদাবাদ বিমানবন্দর থেকে যাত্রীদের নিয়ে লন্ডনের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন সুমিত। জানতেন না আগামীতে কী অপেক্ষা করছে তাঁদের জন্য। উত্তরণের ৪ মিনিট পরই মেঘানিনগরে ভেঙে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার ড্রিম লাইনার। প্রাণ যায় ক্যাপ্টেন সুমিত-সহ আরও ২৪০ জনের। কিছুদিন আগেই অসুস্থ বাবাকে কথা দিয়েছিলেন, শীঘ্রই চাকরি ছেড়ে দেবেন সুমিত। বাবার সেবা করবেন। কিন্তু বাবার কাছে আর ফেরা হল না। ছেলের কফিনের সামনে দাঁড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন অসহায় বাবা। দুর্ঘটনার পর সুমিতের সহকর্মীরা জানিয়েছেন, অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথার মানুষ ছিলেন তিনি। সেই সঙ্গেই ভীষণ নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতেন। শরীর নিয়েও বেশ সচেতন ছিলেন। সেদিন কী কারণে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার সম্মুখীন হতে হল তাঁকে সেই উত্তরই খুঁজে চলেছেন তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই উদ্ধার হয়েছে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের ব্ল্যাক বক্স ও ভয়েস রেকর্ডার। এগুলি খতিয়ে দেখার কাজ চলছে।
আমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ক্যাপ্টেন সুমিতের দেহ পৌঁছল বাড়িতে