Earthquake: গভীর রাতে ভূমিকম্প, কাঁপল বাংলা, ভূ কম্পন প্রতিবেশী দেশও

গভীর রাতে হঠাৎই কেঁপে উঠল মাটি। ঘুমের ঘোরেই তীব্র আতঙ্কের শিহরণ ছড়িয়ে পড়ল বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। লেহ-লাদাখ থেকে শুরু করে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্য আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের কিছু অংশ, পরপর একাধিক কম্পনে উদ্বেগের পরিবেশ তৈরি হয়। ভারত ছাড়াও ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে প্রতিবেশী দেশ তিব্বত ও আফগানিস্তানেও।

Earthquake (Photo Credits: X)

Earthquake: গভীর রাতে হঠাৎই কেঁপে উঠল মাটি। ঘুমের ঘোরেই তীব্র আতঙ্কের শিহরণ ছড়িয়ে পড়ল বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। লেহ-লাদাখ থেকে শুরু করে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্য আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের কিছু অংশ, পরপর একাধিক কম্পনে উদ্বেগের পরিবেশ তৈরি হয়। ভারত ছাড়াও ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে প্রতিবেশী দেশ তিব্বত ও আফগানিস্তানেও।

জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (NCS) সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার মধ্যরাতের পর থেকে ভোরের মধ্যে বিভিন্ন অঞ্চলে এই কম্পনগুলো রেকর্ড করা হয়েছে। তবে স্বস্তির খবর, কোনো এলাকা থেকেই বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

কোথায় কোথায় এবং কখন কেঁপে উঠল মাটি?

লেহ-লাদাখ: শুক্রবার রাত ১২টা ২৭ মিনিট নাগাদ প্রথম কম্পনটি অনুভূত হয় লাদাখের লেহ অঞ্চলে। রিখটার স্কেলে এর তীব্রতা ছিল ৩.৭। ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার গভীরে ছিল এর উৎস। হঠাৎ ঝাঁকুনিতে বহু মানুষ ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন।

অসম: লাদাখের ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই, রাত ১টা ২০ মিনিট নাগাদ কেঁপে ওঠে আসাম। সেখানে রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ধরা পড়ে ৩.১ এবং এটি ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৯ কিলোমিটার গভীরে সৃষ্টি হয়।

পশ্চিমবঙ্গ: অসমের পর পশ্চিমবঙ্গের আলিপুরদুয়ার এলাকাতেও মৃদু ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৩.০।

তিব্বত: ভোর ৪টা ২ মিনিট নাগাদ তিব্বত অঞ্চলে সবচেয়ে শক্তিশালী ৪.৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূ-গর্ভের প্রায় ৩০ কিলোমিটার গভীরে ছিল এর কেন্দ্রস্থল।

আফগানিস্তান: তিব্বতের ঘটনার মাত্র ১৮ মিনিট পর, অর্থাৎ ভোর ৪টা ২০ মিনিটে আফগানিস্তানে ৩.৫ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়। এটি ভূপৃষ্ঠ থেকে বেশ গভীরে, প্রায় ১৬৩ কিলোমিটার নিচে উৎপন্ন হওয়ায় এর প্রভাব ভূপৃষ্ঠে খুব বেশি মারাত্মক হয়নি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রতিটি কম্পনই ছিল মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের। তাই বড় ধরনের বিপদ এড়ানো গেছে। তবে অল্প সময়ের ব্যবধানে একের পর এক এলাকায় ভূকম্পনের ঘটনা সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement