রাষ্ট্রপতির সফরে প্রোটোকল লঙ্ঘন: পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে জরুরি রিপোর্ট তলব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

দার্জিলিং সফরে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর নিরাপত্তায় গাফিলতি এবং প্রোটোকল লঙ্ঘনের অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চাইল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক.

West Bengal CM Mamata Banerjee and President Droupadi Murmu (Photo Credits: Facebook)

দার্জিলিংয়ে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর নিরাপত্তা ও প্রোটোকলে 'গাফিলতি' নিয়ে কড়া অবস্থান নিল কেন্দ্র. শনিবারের ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে রবিবার সন্ধ্যা ৫টার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক. এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে পৌঁছেছে, বিশেষ করে রাজ্যের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এই সংঘাত নতুন মাত্রা যোগ করেছে.

'ব্লু বুক' লঙ্ঘনের অভিযোগ

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব গোবিন্দ মোহন রাজ্যের মুখ্য সচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে পাঠানো চিঠিতে 'ব্লু বুক' বা রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তা সংক্রান্ত নির্দেশিকা লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন. সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির আগমনের সময় মুখ্যমন্ত্রী, মুখ্য সচিব এবং পুলিশ মহাপরিচালকের (DGP) উপস্থিতি বাধ্যতামূলক হলেও গতকাল তাঁদের কাউকেই দেখা যায়নি. এই প্রোটোকল ভঙ্গের কারণ জানতে চেয়েছে কেন্দ্র.

অব্যবস্থা ও পরিকাঠামোগত ত্রুটি

রিপোর্টে মূলত তিনটি প্রধান বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে:

অভ্যর্থনায় অনুপস্থিতি: রাষ্ট্রপতির আগমনের সময় রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্বের অনুপস্থিতি.

পরিচ্ছন্নতা ও পরিষেবা: অভিযোগ উঠেছে যে রাষ্ট্রপতির জন্য নির্দিষ্ট অস্থায়ী শৌচাগারে জলের অভাব ছিল এবং তাঁর যাতায়াতের পথে আবর্জনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল.

ভেন্যু পরিবর্তন: সম্মেলনের স্থান শেষ মুহূর্তে কেন পরিবর্তন করে একটি প্রত্যন্ত এলাকায় নিয়ে যাওয়া হল, তারও ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে.

দার্জিলিংয়ে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর নিরাপত্তা ও প্রোটোকলে 'গাফিলতি' নিয়ে কড়া অবস্থান নিল কেন্দ্র. শনিবারের ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে রবিবার সন্ধ্যা ৫টার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক. এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে পৌঁছেছে, বিশেষ করে রাজ্যের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এই সংঘাত নতুন মাত্রা যোগ করেছে.

'ব্লু বুক' লঙ্ঘনের অভিযোগ

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব গোবিন্দ মোহন রাজ্যের মুখ্য সচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে পাঠানো চিঠিতে 'ব্লু বুক' বা রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তা সংক্রান্ত নির্দেশিকা লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন. সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির আগমনের সময় মুখ্যমন্ত্রী, মুখ্য সচিব এবং পুলিশ মহাপরিচালকের (DGP) উপস্থিতি বাধ্যতামূলক হলেও গতকাল তাঁদের কাউকেই দেখা যায়নি. এই প্রোটোকল ভঙ্গের কারণ জানতে চেয়েছে কেন্দ্র.

অব্যবস্থা ও পরিকাঠামোগত ত্রুটি

রিপোর্টে মূলত তিনটি প্রধান বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে:

অভ্যর্থনায় অনুপস্থিতি: রাষ্ট্রপতির আগমনের সময় রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্বের অনুপস্থিতি.

পরিচ্ছন্নতা ও পরিষেবা: অভিযোগ উঠেছে যে রাষ্ট্রপতির জন্য নির্দিষ্ট অস্থায়ী শৌচাগারে জলের অভাব ছিল এবং তাঁর যাতায়াতের পথে আবর্জনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল.

ভেন্যু পরিবর্তন: সম্মেলনের স্থান শেষ মুহূর্তে কেন পরিবর্তন করে একটি প্রত্যন্ত এলাকায় নিয়ে যাওয়া হল, তারও ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে.

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

শনিবারের অনুষ্ঠানে স্বয়ং রাষ্ট্রপতি এই অব্যবস্থা নিয়ে প্রকাশ্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেন, যা অত্যন্ত বিরল একটি ঘটনা. বিজেপি নেতৃত্ব এই বিষয়টিকে রাজ্যের প্রশাসনিক ব্যর্থতা হিসেবে তুলে ধরছে. অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে নির্দিষ্ট প্রশাসনিক কারণেই শীর্ষ আধিকারিকরা উপস্থিত থাকতে পারেননি এবং বিষয়টিকে অহেতুক রাজনৈতিক রং দেওয়া হচ্ছে.

পরবর্তী পদক্ষেপ

আজ সন্ধ্যা ৫টার মধ্যে নবান্নকে এই বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দিতে হবে. সূত্রের খবর, রাজ্যের দেওয়া রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক. বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই বিতর্ক প্রশাসনিক স্তরে বড়সড় রদবদলের ইঙ্গিত দিচ্ছে কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে.

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

শনিবারের অনুষ্ঠানে স্বয়ং রাষ্ট্রপতি এই অব্যবস্থা নিয়ে প্রকাশ্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেন, যা অত্যন্ত বিরল একটি ঘটনা. বিজেপি নেতৃত্ব এই বিষয়টিকে রাজ্যের প্রশাসনিক ব্যর্থতা হিসেবে তুলে ধরছে. অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে নির্দিষ্ট প্রশাসনিক কারণেই শীর্ষ আধিকারিকরা উপস্থিত থাকতে পারেননি এবং বিষয়টিকে অহেতুক রাজনৈতিক রং দেওয়া হচ্ছে.

পরবর্তী পদক্ষেপ

আজ সন্ধ্যা ৫টার মধ্যে নবান্নকে এই বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দিতে হবে. সূত্রের খবর, রাজ্যের দেওয়া রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক. বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই বিতর্ক প্রশাসনিক স্তরে বড়সড় রদবদলের ইঙ্গিত দিচ্ছে কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে.

 

(Social media brings you the latest breaking news, viral news from the world of social media including Twitter, Instagram and YouTube. The above post is embedded directly from the user's social media account. This body of content has not been edited or may not be edited by Latestly staff. Opinions appearing on social media posts and the facts do not reflect the opinions of Latestly, and Latestly assumes no responsibility for the same.)

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement