JNU Violence: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশ মত আজ জেএনইউ পৌঁছল দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চের টিম
গতকালই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের (Home Ministry) তরফে। সেইমত মঙ্গলবার বেলা গড়াতেই দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) ক্রাইম ব্রাঞ্চের একটি দল পৌঁছে যায় উত্তপ্ত জওহর লাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। এই দলে আছেন দিল্লি পুলিশের দক্ষিণ-পশ্চিম রেঞ্জের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার দেবেন্দর আর্য।
নতুন দিল্লি, ৭ জানুয়ারি: গতকালই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের (Home Ministry) তরফে। সেইমত মঙ্গলবার বেলা গড়াতেই দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) ক্রাইম ব্রাঞ্চের একটি দল পৌঁছে যায় উত্তপ্ত জওহর লাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। এই দলে আছেন দিল্লি পুলিশের দক্ষিণ-পশ্চিম রেঞ্জের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার দেবেন্দর আর্য।
প্রায় ঘণ্টাখানেক বিশ্ববিদ্যালয় (JNU) চত্বর পরিদর্শন করে তাঁরা। তারপরেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এসে তিনি জানান, বিশ্ব বিদ্যালয়ের কোনও অংশ থেকেই আর নতুন করে কোনও অশান্তির উদ্রেক হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের (University) ভিতর এবং বাইরে উভয় জায়গাতেই সক্রিয়ভাবে মোতায়েন রয়েছে পুলিশ। এদিকে এদিন সকালেই JNU-তে তাণ্ডব চালানোর দায় স্বীকার করে 'হিন্দু রক্ষা দল'। সংগঠনের শীর্ষ নেতা খোলাখুলি জানিয়েছেন, 'আমরাই মেরেছি।' তাদের সর্বভারতীয় সভাপতি পিংকি চৌধুরী জানিয়েছেন, 'দেশের শত্রুদের দেশ ভাগ করতে দেব না, দেশহিতের জন্য এই কাজ করেছি। জেএনইউ ক্যাম্পাসে কেউ তিলক লাগিয়ে যেতে পারে না কেন? জেএনইউ এ যে সব কাজ করা হত, তা পুরোপুরি দেশ বিরোধী। আমরা ভয় পাই না, যা হবে দেখা যাবে।' আরও পড়ুন: JNU Violence: জেএনইউ-এর আহত ছাত্র নেতা ঐশী ঘোষের বিরুদ্ধে FIR বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের!
রবিবার সন্ধ্যার ওই ঘটনায় তোলপাড় পড়ে যায় দেশজুড়ে (India)। পুলিশের বিরুদ্ধে জেএনইউকাণ্ডে চূড়ান্ত অপদার্থতা, নীরব থাকার অভিযোগ ওঠে। তাই দিল্লি পুলিশের দায়িত্ব যেহেতু কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের হাতে, সেক্ষেত্রে ঘটনার তদন্ত করতে পুলিশের বড় কর্তা নিয়োগ করা হয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে। রবিবার রাতেই এমন নির্দেশ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এই গোটা ঘটনার তদন্ত করবে দিল্লি পুলিশ। যার নেতৃত্বে থাকছেন দিল্লি পুলিশের জয়েন্ট কমিশনার (ওয়েস্টার্ন রেঞ্জ) শালিনী সিং। তিনিই গোটা ঘটনার তদন্তের রিপোর্ট জমা দেবেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দফতরে। এই বিষয়ে রবিবার রাতেই অমিত শাহের কথা হয় দিল্লি পুলিশের কমিশনার অমূল্য পটনায়িকের সঙ্গে।