Jharkhand : রাঁচি সহ দক্ষিণ ও মধ্য ঝাড়খণ্ডের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বৃষ্টির দাপট, কাদা সরাতে রাস্তায় নামল প্রশাসন
আগামী ২৪ জুন পর্যন্ত ঝাড়খণ্ডের একাধিক জেলায় টানা ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে আবহাওয়া দফতরের তরফে। ইতিমধ্যেই ঝাড়খণ্ডের একাধিক জেলায় টানা ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। রাঁচি সহ দক্ষিণ ও মধ্য ঝাড়খণ্ডের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বৃষ্টির দাপটে জনজীবন কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
ঝাড়খণ্ডের এক আবহবিদ জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গ ও সংলগ্ন অঞ্চলে একটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছে, যা উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে ঝাড়খণ্ডে প্রবেশ করেছে। এর ফলেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মুষলধারে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। তবে আগামী ১-২ দিনের মধ্যে এই নিম্নচাপের প্রভাব কিছুটা কমবে বলেও জানানো হয়েছে।তিনি আরও জানা গেছে, রাজ্যে জুন মাসে গড় বৃষ্টির পরিমাণ যেখানে ২১.২ মিমি, সেখানে ১ থেকে ১৭ জুনের মধ্যে ইতিমধ্যেই ৩৪.৬ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ৬৩ শতাংশ বেশি।
ঝাড়খণ্ডের পশ্চিম সিংভূম জেলায় বিগত কয়েকদিন ধরে চলা অবিরাম বর্ষণে বিপর্যস্ত জনজীবন। টানা বৃষ্টির জেরে মাটির বাড়ি ধসে মৃত এক মহিলা। আহত আরও ৩ জন শিশু। ঘটনাটি ঘটেছে ,বৃহস্পতিবার সকালে কুলিটোডাং গ্রামে।
জানা গেছে, কুলিটোডাং গ্রামের এক মহিলা গুরুবারী ডোঙ্গোর মাটির বাড়ি প্রবল বৃষ্টিতে এদিন সকালে ধসে পড়ে। ঘটনাস্থলেই মারা যান গুরুবারী। আহত হয় তাঁর ছেলে সুনীল ডোঙ্গো(৩) ,দেড় বছরের শিশু গুলশন ডোঙ্গো এবং ভাইঝি হিলারি পূর্তি। পরিবারের সকলে মাটির নিচে চাপা পড়ে যান। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে আহতদের হাসপাতালে পাঠায়। পাশাপাশি ক্ষতিপূরণের দাবি জানান।
কাদাতে যান-চলাচল বন্ধ হয়ে আছে ৩৩ নং জাতীয় সড়কে। তাই ঝাড়খণ্ড প্রশাসন তিনটি খননকারী যন্ত্র দিয়ে ৩৩ নম্বর জাতীয় সড়কের কাদা পরিষ্কার করছে। চলমান নির্মাণ কাজ এবং বৃষ্টিপাতের কারণে জমে থাকা কাদায় জলাবদ্ধতা এবং যানজটের সৃষ্টি করছিল। দেখুন সেই ছবি-