Health Ministry: বেঙ্গালুরুর বায়োন প্রাইভেট লিমিটেডের করোনাভাইরাস টেস্ট কিট ব্যবহারের অনুমতি পত্র দেওয়া হয়নি, জানাল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রক সোমবার একটি নোটিশ জারি করে জানিয়েছে, বেঙ্গালুরুর সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন সিওভিড -১৯ (COVID-19)-এর জন্য দ্রুত 'র‍্যাপিড সিঙ্গেল ইউজ ফিঙ্গার প্রিক' পরীক্ষার লাইসেন্স দেয়নি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রক করোনা টেস্ট কিটের (Corona Test Kit) বিষয়ে জানতে পেরে এই নোটিশটি জারি করে। বেঙ্গালুরুতে বায়োন ভেনচার প্রাইভেট লিমিটেড করোনভাইরাস পরীক্ষা করার জন্য ডায়াগনস্টিক এই কিট বিক্রি করছে।

টেস্ট কিট Representational Image | (Photo Credits: IANS)

নতুন দিল্লি/ বেঙ্গালুরু, ৬ এপ্রিল: কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রক সোমবার একটি নোটিশ জারি করে জানিয়েছে, বেঙ্গালুরুর সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন সিওভিড -১৯ (COVID-19)-এর জন্য দ্রুত 'র‍্যাপিড সিঙ্গেল ইউজ ফিঙ্গার প্রিক' পরীক্ষার লাইসেন্স দেয়নি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রক করোনা টেস্ট কিটের (Corona Test Kit) বিষয়ে জানতে পেরে এই নোটিশটি জারি করে। বেঙ্গালুরুতে বায়োন ভেনচার প্রাইভেট লিমিটেড করোনভাইরাস পরীক্ষা করার জন্য ডায়াগনস্টিক এই কিট বিক্রি করছে।

সর্বশেষ নোটিশে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক বলেছে, "লক্ষ্য করা গেছে যে বেঙ্গালুরু এম / এস বায়োইন ভেনচার্স প্রাইভেট লিমিটেড করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য র‌্যাপিড সিঙ্গেল ইউজ ফিঙ্গার প্রিক কিট বিক্রয় করছে। যা ৫-১০ মিনিটের মধ্যে ফলাফল দিয়ে দেয়। মিডিয়াতেও এই কিটটি ব্যাপকভাবে প্রচার হয়। তিনি আরও বলেন, "এই বিষয়টির মাধ্যমে এখানে অবহিত করা হয়েছে যে সিডিএসসিও, করোনাভাইরাস ডায়াগনস্টিক কিটের বিপণনের জন্য আমদানি প্রস্তুতকারকের লাইসেন্স অনুমোদনের কর্তৃপক্ষ এম/ এস বায়োন ভেনচার্স প্রাইভেটের দ্বারা পূর্বোক্ত ডায়াগনস্টিক কিটকে লাইসেন্স দেয়নি । " এদিকে, ভারত সরকার নিশ্চিত করেছে যে ভারতে করোনভাইরাস আক্রান্তের মোট সংখ্যা প্রায় ৪, ০৬৭ জন। এর মধ্যে ৩, ৬৬৬ এর শরীরে সক্রিয় রয়েছে এবং ২৯১ জনকে সুস্থ হওয়ার জন্য হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সোমবার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা ১০৯ এবং একজন ব্যক্তিকে অন্য দেশে পাঠানো হয়। আরও পড়ুন, করোনাভাইারাসের মোকাবিলায় ভারতের চাই ২৭ মিলিয়ন এন-৯৫ মাস্ক, ১৫ মিলিয়ন পিপিই, ১৬ লক্ষ টেস্ট কিট

এদিকে আগামী দু' তিনটে মাস ধরে করোনাভাইরাসের (Coronavirus) মোকাবিলা করতে গেলে ভারতের চাই ২৭ মিলিয়ন এন-৯৫ মাস্ক, ১৫মিলিয়ন পিপিই, ১.৬ মিলিয়ন করোনার টেস্ট কিট ও ৫০ হাজার ভেন্টিলেটর। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে প্রকাশিত এক খবর অন্তত এই তথ্যই জানাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্য়েই কেন্দ্রের তরফে শিল্পপতিদের সঙ্গে একপ্রস্থ আলোচনা হয়েছে। এই সবের জোগাড়যন্ত্র করতে বেসরকারি সংস্থা, এনজিও ও আন্তার্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সরারি কর্তাব্যক্তিদের আলোচনা চালাতে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। মহামারী করোনার ঘায়ে যখন দেশে আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে তিন হাজার ছাড়িয়ে গেল। ৮৩ জনের প্রাণ কেড়ে নেওয়া ভাইরাসের প্রতিরোধে এবার কোমরবেঁধে আসরে নামল কেন্দ্র। গত ৩ এপ্রিল এ নিয়ে উদ্যোগপতিদের সঙ্গে বৈঠক সারলেন নীতি আয়োগের প্রধান অমিতাব কান্ত।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement