ECI Voter List Revision: ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়াদের নাম তুলতে বিশেষ অভিযান কমিশনের, নির্দেশ রাজ্যগুলিকে
ভোটার তালিকায় নাম ওঠেনি কিংবা আগেই বাদ পড়েছে? চিন্তার কারণ নেই! ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI) সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জন্য এক বিশেষ ভোটার নথিভুক্তকরণ अभियाনের নির্দেশ দিয়েছে।
ECI Voter List Revision: ভোটার তালিকায় নাম ওঠেনি কিংবা আগেই বাদ পড়েছে? চিন্তার কারণ নেই! ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI) সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জন্য এক বিশেষ ভোটার নথিভুক্তকরণ অভিযানের নির্দেশ দিয়েছে। মূলত, যে সব যোগ্য নাগরিকের নাম সম্প্রতি প্রকাশিত ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, কিংবা যারা নতুন বা তরুণ ভোটার, তাদের তালিকায় যুক্ত করতেই এই বড় পদক্ষেপ।
কী বলল কমিশন
কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোট দেওয়া প্রতিটি নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার। তাই বাদ পড়া কোনো যোগ্য নাগরিক যেন ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত না হন, তা সুনিশ্চিত করাই এই বিশেষ অভিযানের মূল লক্ষ্য।
কীভাবে পরিচালিত হবে এই প্রক্রিয়া?
বিএলও (BLO) দ্বারা তালিকা তৈরি:বিশেষ সংশোধনী (SIR) প্রক্রিয়ার গণন পর্বে প্রতিটি বুথ লেভেল অফিসার (BLO) অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত, মৃত এবং একাধিক স্থানে নাম থাকা (ASDD) ভোটারদের একটি খসড়া তালিকা তৈরি করেছিলেন। বর্তমান ভোটার তালিকার সঙ্গে আগের (Pre-SIR) ভোটার তালিকা মিলিয়ে দেখে বাদ পড়া ভোটারদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে।
বাড়ি বাড়ি অভিযান: চিহ্নিত ভোটারদের বর্তমান তথ্য যাচাই করতে বিএলও-রা সরাসরি বাড়ি বাড়ি যাবেন। উপযুক্ত ও যোগ্য বিবেচিত হলে তাঁদের ফর্ম ৬ (Form 6)পূরণ করিয়ে তালিকায় নাম নথিভুক্ত করা হবে।
নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা: কাজ ত্বরান্বিত করতে প্রতি সপ্তাহে বিএলও-দের অন্তত ২০ থেকে ২৫ জন ভোটারের তথ্য যাচাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে পুরো প্রক্রিয়াটি প্রায় এক মাসের মধ্যে শেষ করা যায়।
বিশেষ বুথ ও শিবিরের আয়োজন: প্রান্তিক মানুষ, গৃহহীন, নাইট শেল্টার ও শ্রমিক কলোনিতে বসবাসকারী মানুষদের সুবিধা দিতে বিশেষ বুথ ক্যাম্পের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
রাজনৈতিক দল ও প্রশাসনিক নজরদারি
প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বজায় রাখতে বিএলও-দের তৈরি এই তালিকা এবং আবেদনপত্র সংক্রান্ত রিপোর্ট নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলির বুথ লেভেল এজেন্টদের (BLA) সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হবে। এরপর ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসাররা (ERO) জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০ এবং ভোটার নিবন্ধন বিধি, ১৯৬০ অনুযায়ী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।
নজরদারিতে CEO
পুরো কাজ সঠিকভাবে চলছে কি না, তা নিয়মিত নজরদারি করবেন চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার (CEO), ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসার (DEO) এবং ERO-রা। সেই সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় প্রচার কর্মসূচি ও সুইপ (SVEEP) উদ্যোগের মাধ্যমে ব্যাপক সচেতনতা প্রচার চালানো হবে।
কমিশনের বার্তা: ভোটার তালিকায় নাম তোলা একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। যাঁদের নাম বাদ পড়েছে বা এখনও তোলা হয়নি, তাঁরা যে কোনো সময়েই নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য আবেদন করতে পারেন।